অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : বাংলাদেশ সরকারের এসডিজির (সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল) লক্ষ্য, টার্গেট ও ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছে সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান (সুপ্র)। সংগঠনটি মনে করে, স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন লক্ষ্য ও পঞ্চমবার্ষিকী পরিকল্পনায় জনগণের আশা এবং আকাঙ্ক্ষার যথেষ্ট প্রতিফলন ঘটেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের এ মত তুলে ধরে সুপ্র।
‘বাস্তবায়ন ও চ্যালেঞ্জ: স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন লক্ষ্য, ২০৩০ এবং সপ্তম পঞ্চমবার্ষিকী পরিকল্পনা’ শীর্ষক এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সুপ্র। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের লক্ষ্যে গত ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশনে ১৯৩টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের উপস্থিতে ১৬৯টি টার্গেট চূড়ান্ত করা হয়েছে। আর প্রত্যেকটি দেশকে এই সব টার্গেট বাস্তবায়নের কৌশল নিজেদের মতো নির্ধারণ করতে হবে, যা প্রতিটি দেশের জন্যই একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
লিখিত বক্তব্যে সুপ্রর পরিচালক এলিসন সুব্রত বাড়ৈ বলেন, এমডিজি ছিল সামাজিক খাতের উন্নয়ন এবং দাতা-গ্রহীতার সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে। পক্ষান্তরে এসডিজি হচ্ছে সামাজিক, রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক ও পরিবেশ বিষয়ক সকল বিষয়ের সমন্বিত রূপকল্প।
স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নের লক্ষ্যে সুপ্রর পক্ষ থেকে সুব্রত রাড়ৈ বাংলাদেশ সরকারের কাছে ৮ দফা দাবি তুলে ধরেন।
দাবিগুলো হলো: ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও এসডিজিকে জাতীয় উন্নয়নের মূলস্রোতধারায় নিয়ে আসার জন্য তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে, নিয়মিতভাবে তথ্য সংগ্রহ, পারফরমেন্স মূল্যায়ন ও জনসমক্ষে তা প্রকাশ করতে হবে, ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড’ ও ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ রেজিলিয়েন্ট ফান্ড’ কর্তৃক গৃহীত প্রকল্প বাস্তবায়ন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতামূলক এবং নিয়তমিতভাবে তা সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সুপ্রর চেয়ারপারসন আহমেদ স্বপন মাহমুদ, ভাইস চেয়ারপারসন হোসনে আরা হাসি, সদস্য এ এইচ এম শামসুল ইসলাম দিপু, মতিউর রহমান, কে জী এম ফারুক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

