নিজস্ব প্রতিবেদক : সিএনজি অটোরকশার ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে নৈরাজ্য বন্ধে ৯টি প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সিএনজি অটোরিকশার ভাড়া ও দৈনিক জমা বৃদ্ধি : বাস্তবতা, নৈরাজ্য বন্ধে করণীয় শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় এ প্রস্তাবনা দেয় সংগঠনটি। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
আলোচনা সভায় সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘সম্প্রতি সরকার সিএনজি অটোরিকশার ভাড়া ৬০ বাড়িয়েছে। এই সেক্টরে শৃঙ্খলা আনতে অটোরিকশা নীতিমালা-২০০৭ জারি করে। এর ফলে সিএনজি চালকরা মিটারে যেতে বাধ্য থাকবে। কিন্তু অটোচালকরা এই আইনের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছে মতো ভাড়া আদায় করে। সরকারের কাছে নীতিমালা অনুযায়ী অটোরিকশা চালানোর অঙ্গিকার করলেও মালিকরা তা মানছেন না।’
এ সময় তিনি সরকারের কাছে অটোরিকশা নৈরাজ্য বন্ধে ৯টি প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। উল্লেখযোগ্য প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে রয়েছে- বিনা প্রশ্নে যাত্রীদের গন্তব্যস্থলে যাওয়ার ব্যবস্থা করা, মিটারে চলাচল নিশ্চিত করা ও মিটার টেম্পারিং বন্ধের উদ্যোগ এবং অতিরিক্ত বকশিশ আদায় বন্ধ করা, গোপন চুক্তিতে যাতায়াত বন্ধসহ গোপনে যাত্রী সেজে মনিটরিং করা, সিএনজি অটোরিকশা সার্ভিস নীতিমালা ২০০৭ বাস্তবায়ন করা।
সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে গোলটেবিল বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএর যুগ্ম সচিব শওকত আলী, অ্যাডিশানাল ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার, সিপিবি নেতা রাজেকুজ্জামান রতন, প্রাক্তন সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি প্রমুখ।

