নিজস্ব প্রতিবেদক : নাচ-গান, কবিতা-নাটকের মাধ্যমে উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) দিবস ২০১৫। বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এক দশক পার করলো দেশের ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি।
সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা এবং জবি পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০১৫ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান এবং জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। এসময় আকাশে রঙিন বেলুন এবং শান্তির প্রতিক পায়রা উড়ানো হয়।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে রায় সাহেব বাজার মোড় হয়ে বাহাদুর শাহ পার্ক ঘুরে আবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়।
এরপর শুরু হয় অলোচনা অনুষ্ঠান। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় নানা দাবি-দাওয়ার কথা উঠে আসে। এছাড়াও উঠে আসে জবির সফলতার কথা।
বক্তৃতায় যেসব দাবি-দাওয়া বারবার উঠে এসেছে সেগুলো হলো- আবাসন সংকট সমাধান, পরিবহন সংকট সমাধান এবং অধিক শিফট চালু, লাইব্রেরি সময়সূচি রাত ১০টা পর্যন্ত করা, ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এ্যাসোশিয়েশন গঠনসহ আরো অনেক দাবি।
আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এই পর্বে সূচনা হয় বিশ্ববিদ্যালয় ড্রামা এ্যান্ড মিউজিক ডিপার্টম্যান্টের সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে। এরপর একে একে মঞ্চে আসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় উদীচী, আবৃত্তি সংসদ, সাংকৃতিক কেন্দ্রসহ শিক্ষক-কর্মকর্তাদের পরিবেশনা। সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হয় নাট্যকলা বিভাগের যাত্রাপালা ‘বাঙালি’। রাত সাড়ে ৭টায় পাওয়ার ভয়েসের শিল্পীরা এবং শিল্পী হৃদয় খান সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এই পরিবেশনা চলে রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত।
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় সেজেছিল বর্ণিল আলোকসজ্জায় এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা আলাদা আলাদাভাবেও আয়োজন করেছে নানা অনুষ্ঠানের।

