ঢাকাTuesday , 20 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দক্ষ শ্রমিকের অফুরন্ত ঘাটতি আছে

Link Copied!

workerনিজস্ব প্রতিবেদক : বিদেশে পাঠানোর মত দক্ষ শ্রমিকের অফুরন্ত ঘাটতি আছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি।
মঙ্গলবার রাজধানীর ইস্কাটনের মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সিটি অ্যান্ড গিল্ডসের মাধ্যমে টিওটি প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের দক্ষ শ্রমিকের ঘাটতি তো আছেই, অফুরন্ত ঘাটতি আছে। এ ঘাটতি পূরণের জন্য আমরা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি।’
এখন পর্যন্ত দক্ষ জনশক্তির চাহিদা কেমন আছে, আমরাই বা কতটুকু পূরণ করতে পারছি? এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘ডাটবেজ ওয়াইজ আমরা শ্রমিক পাঠাচ্ছি। আমাদের দেশে ৪১টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে। সেখানে দক্ষ শ্রমিক গড়ে তোলার জন্য আমাদের ট্রেনিং চলতেছে। তাই বড় ধরনের ঘাটতি থাকলেও তা পূরণ হচ্ছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘তবে আমাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে, প্রশিক্ষক আছে। দক্ষ লোক চাইলে আমরা দিতে পারবো। গত বছর আমাদের দক্ষ শ্রমিক ৫২ শতাংশ গিয়েছে। এখন আমরা আরো বাড়াবো।’
নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেন, ‘আমাদের সৌদি আরবের বাজার এখনো খোলা আছে। প্রতিদিন সেখানে শ্রমিক যাচ্ছে। তাছাড়া, আমরা নতুন নতুন বাজার সৃষ্টি করা চেষ্টা করছি। মালয়েশিয়ার বাজারগুলোর কাছাকাছি এসে গেছি। পাশাপাশি থাইল্যান্ড, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়সহ বিভিন্ন দেশে আমরা বাজার ধরার চেষ্টা করছি।’
মালয়েশিয়ার ব্যাপারে তাদের সঙ্গে নতুন এমইউ চুক্তি হয়নি, তবে হবে বলেও যোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সচিব খন্দকার ইফতেখার হায়দার বলেন, ‘আমাদের দক্ষ শ্রমিক নিয়ে সমস্য নাই। আমরা ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমিক তৈরি করছি। কিন্তু আমরা যে সার্টিফিকেট দিচ্ছি তার গ্রহণযোগ্যতা আন্তর্জাতিক বাজারে খুব একটা হতো না। তাই আমরা আইএলের ডিসেন্ট ওয়ার্ক প্রজেক্টের আওতায় সিটি অ্যান্ড গিলডসকে এ প্রশিক্ষণ প্রসেসে অন্তর্ভুক্ত করেছি। তাতে যারা এ সার্টিফিকেট হোল্ডার হবে, তারা হয়তো আন্তর্জাতিক বাজারে চাকরি পেতে সুবিধা পাবে। তাদের বেতন বাড়বে এবং তাদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাও বাড়বে।’
তিনি এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘মালয়েশিয়াতে আমাদের শ্রমিক পাঠানোর কাজ বন্ধ নেই। প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার করে শ্রমিক যাচ্ছে। জি টু জি প্রক্রিয়া এখনো চলমান আছে। এখন আমাদের কাছে জি টু জি প্লাসের একটা প্রস্তাব আছে। আমরা সেটার ওপরই কাজ করছি। সেখানে হয়তো প্রাইভেট সেক্টর ইনভল্ব হওয়ার একটা সুযোগ তৈরি হবে। আমরা আশা করছি খুব তারাতারি এ প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়িত হবে।’
এসময় আইএলের ডিসেন্ট ওয়ার্ক প্রজেক্টের আওতায় সিটি অ্যান্ড গিল্ডসের মাধ্যমে টিওটি (ট্রিনিং অফ ট্রিচার্স) ৪০ জন উত্তীর্ণ প্রশিক্ষককে সার্টিফিকেট দেয়া হয়।