ঢাকাTuesday , 20 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার চূড়ান্ত অনুমোদন
এবার গবেষণায় গুরুত্ব, লক্ষ্যমাত্রা ৭.৪% প্রবৃদ্ধি

Link Copied!

cabinetনিজস্ব প্রতিবেদক : গড়ে ৭ দশমিক ৪ ভাগ মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে ৩১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় পরিকল্পনাটির অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা সভায় সভাপতিত্ব করেন।
এনইসি সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং জনগণের আয় বণ্টনব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য হারে উন্নীতকরণের লক্ষ্য অর্জনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে গতিশীলতা আনা হবে।’
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘এবারের পরিকল্পনায় গড়ে ৭ দশমিক ৪ ভাগ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৫ বছর শেষে প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে ৮ ভাগে। দারিদ্রের হার বর্তমানে ২৪ দশমিক ৮ ভাগ থেকে কমিয়ে ১৮ দশমিক ৬ ভাগে নামিয়ে আনা হবে। রপ্তানি আয় ৩০ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার থেকে ২০২০ সালে ৫৪ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীতকরণ করা হবে।’
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় জিডিপির ২ দশমিক শূন্য দুই ভাগ থেকে বাড়িয়ে ২০২০ সালে ২ দশমিক তিন ভাগে উন্নীত করা হবে।’ একইসঙ্গে এই ৫ বছরে এক কোটি ২৯ লাখ কর্মসংস্থান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘এবারই প্রথম গবেষণা কার্যক্রমে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। গবেষণা ব্যয় জিডিপির শূন্য দশমিক ৬ ভাগ থেকে বাড়িয়ে এক ভাগে উন্নীত করা হবে।’
সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার ব্যয় নিয়ে তিনি বলেন, ‘পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটিতে ৩১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব করা হয়েছে। মোট বিনিয়োগের ৭৭ দশমিক ৩ ভাগ বেসরকারি খাত থেকে আসবে। বাকি ২২ দশমিক ৭ ভাগ আসবে সরকারি খাত থেকে।’
বিনিয়োগকৃত অর্থের উৎস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মোট বিনিয়োগের ৯০ দশমিক শূন্য ৪ ভাগ অভ্যন্তরীণ সম্পদ থেকে আহরণ করা হবে। বাকি ৯ দশমিক ৬ ভাগ বৈদেশিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে।’
মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘২০২০ সালে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫ কমিয়ে আনতে হবে। এজন্য ২০২০ সালে নাগাদ রাজস্ব ও জিডিপির অনুপাত ১০ দশমিক ৮ ভাগ থেকে বাড়িয়ে ১৬ দশমিক ১ ভাগে উন্নীত করতে হবে।’