ঢাকাSaturday , 17 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৩৫ লাখ শিশু ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত

Link Copied!

Workerনিজস্ব প্রতিবেদক : মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, ‘দেশে এখনও ৩৫ লাখ শিশু বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত আছে। এদের সম্পর্কে আরো সচেতন হতে হবে।’
শনিবার দুপুরে এফডিসির ৮ নম্বর ফ্লোরে নীতি-নির্ধারক এবং শিশুদের অংশগ্রহণে ‘বাল্যবিবাহ ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক উন্মুক্ত সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম, উন্নয়ন সেবা সংগঠন, ইন্টারন্যাশনাল চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ, ইসলামিক রিলিফ ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।
মেহের আফরোজ চুমকি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করে বলেন, ‘কোনো শিশু রাস্তায় ঘুরে বেড়াবে না এবং না খেয়ে মরবে না; এটি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।’
বর্তমান সরকার শিশুদের সোনার দেশ দেয়ার জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ মন্তব্য করে চুমকি বলেন, ‘আমাদের দেশকে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে হলে এবং এসডিজির লক্ষ্যগুলো আর্জন করতে হলে শিশুর প্রতি কোনো বৈষম্য রাখা যাবে না।’
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘শিশুদের মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করতে হবে। কোনভাবেই তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।’
তিনি শিশুর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘গুম, অপহরণ ও শিশু নির্যাতন ইত্যাদি সম্পর্কে গণমাধ্যমে সূত্রে জানামাত্রই আমরা তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। এসব রোধ করতে আমরা বদ্ধপরিকর। তবে এটা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদেরও আছে।’
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, ‘আমরা এখনো শিশুর অধিকার সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন নই। শিশুদের অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের ন্যায় মৌলিক চাহিদাগুলো নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে সরকারেরও। তাই সবার প্রতিনিধিত্ব নিয়ে সরকারকে যথাযথভাবে এ দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় পিপিএম ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। তথাপি শিশু নির্যাতনবিষয়ক মামলাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি এর সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের লোকও জড়িত থাকে তাহলেও ছাড় দেয়া হবে না। অপরাধী যে প্রতিষ্ঠানেরই হোক না কেন বা জনপ্রতিনিধিই হোক না কেন তার পরিচয় সে অপরাধী। শিশু নির্যাতন রোধে এবং এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে আমরা জেন্ডার ও শিশু অধিকারবিষয়ক বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজন করছি।  আমরা নারী ও শিশুবান্ধব ডেস্কও খুলেছি।’
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণের সঞ্চালনায় উন্মুক্ত এ সংলাপটিতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন- জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের সম্পাদক নাছিমা আক্তার জলি।