ঢাকাSaturday , 17 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাজা সীমান্তে আরো ২ ফিলিস্তিনি নিহত

Link Copied!

filistainআন্তর্জাতিক ডেস্ক : গাজা সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে আরো দুই ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আল জাজিরা জানিয়েছে, টানা কয়েক সপ্তাহের সহিংসতা আর ক্রোধে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীরা গাজার ইসরায়েলি সীমান্তের কাছে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল। তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি করে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে দুই ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে এবং আহত হয়েছে আরো বহু মানুষ।
চলতি মাসে আল আকসা মসজিদ ভবনে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার পর থেকে উত্তেজনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। আর এ থেকেই বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের সূচনা হয়েছে। মসজিদটি মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্র স্থান বলে বিবেচিত হয়। এটি ইহুদিদের কাছেও একটি প্রবিত্র স্থান।
গাজায় ইসরায়েলি সীমান্তের কাছে সমবেত হয়েছিল হাজার হাজার মানুষ। সেসময় বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে টিয়ার গ্যাস, নিস্ক্রিয় গ্রেনেড, রাবার বুলেট এবং গোলাবারুদ ছুড়ে মারে ইসরায়েলি বাহিনী। এ পর্যন্ত ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সহিসংতায় কমপক্ষে ৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এটা যেন দুপক্ষের মধ্যে ইট মারলে পাটকেল মারতে হবে এমনটাই শুরু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে সন্দেহভাজন হামলাকারী এবং নিরস্ত্র বিক্ষোভকারী রয়েছে। এছাড়া শুক্রবার ইহুদিদের পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিত জোসেফের সমাধিস্থলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল ফিলিস্তিনিরা। এতে নিহত হয়েছে সাত ইসরায়েলি।
ফিলিস্তিনি সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সহিংসতার সময় ইয়েহইয়া আবদুল কাদের ফরহাত নামে ২৪ বছর বয়সী এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে। সেসময় আরো ১১ জন তাজা গুলিতে আহত হয়েছে। শুযায়াতে প্রতিবাদের সময় ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন মাহমুদ হুমেইদা নামে ২২ বছর বয়সী এক তরুণ।
এছাড়া শুক্রবার পশ্চিমতীরে ইসরায়েলি বাহিনী দুই ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। নাবলুসের কাছাকাছি বেইত ফুরিক গ্রামে ইহাব হানানি নামে ১৯ বছরের এক যুবককে গুলি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
এর আগে গত সপ্তাহে গাজা সীমান্তে প্রতিবাদ করার সময় সাত ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছিল ইসরায়েলি বাহিনী। কয়েক সপ্তাহ ধরেই সহিংসতার উত্তেজনা বেড়ে চলেছে। এ কারনে দেশটিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে ফিলিস্তিনিরা।