ঢাকাFriday , 16 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি, আটক ২

Link Copied!

admissionনিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তিপরীক্ষার হলে একই রোল ও সিরিয়াল নম্বর থাকায় দুই পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে তাদেরকে থানায় সোপর্দ করা হয়।
আটককৃতদের নাম মেহেদী হাসান ও সঞ্জয় কুমার সাহানী। তারা যশোর বোর্ড থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।
প্রক্টর অফিস সূত্রে জানা গেছে, সঞ্জয় এবং মেহেদী হাসান শুক্রবার পরীক্ষা দিতে হলে (লেকচার থিয়েটার ভবন, রুম নং বি-৪) প্রবেশ করলে দেখা যায় দুই জনের আসন নম্বর একই। পরে প্রবেশপত্র নিয়ে দেখা যায় দুই জনের রোল নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বরও একই। (রোল- ৭০৬৬৭৪, সিরিয়াল- ৪৩৭২২০)। এরপর কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ তাদের দুই জনকে দুই জায়গায় বসিয়ে পরীক্ষা দিতে দেন। পরীক্ষার পর তাদেরকে ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসা হয়।
দুই জনের কাগজপত্র যাচাই- বাছাই করে দেখা যায় মেহেদী হাসানের প্রবেশপত্র সঠিক আর সঞ্জয়ের প্রবেশপত্র ভুয়া। পরে তার কথামতো তাদের আরেক বন্ধু মেহেদী হাসানকে নিয়ে আসা হয়। সে সঞ্জয়ের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ও প্রবেশপত্র নেয়া সহ সবকিছু করেছিল। তাদের দুইজনের সাক্ষ্য নিয়ে প্রথম মেহেদী হাসানকে ছেড়ে দেয়া হয়।
পরীক্ষার্থী মেহেদী হাসান ও সঞ্জয় এবং তাদের বন্ধু মেহেদী হাসান সবাই খুলনা মডেল স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। মেহেদী ও সঞ্জয় এবার খুলনা সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি দেয় আর মেহেদী কমার্স কলেজের শিক্ষার্থী। আটক মেহেদী এইচএসসিতে ফেল করায় ভর্তিপরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পায়নি।
আটক দুইজনের মধ্যে সঞ্জয়কে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। আর অপরজনকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।
আটককৃত মেহেদী হাসান বলেন, আমরা কিছু জানিনা। একটি সাইবার ক্যাফেতে আমি সঞ্জয়ের ভর্তির আবেদন করেছিলাম। তারাই পরদিন আমাকে প্রবেশ পত্র বের করে দিয়েছিল। কিভাবে কি করেছে তারাই সব জানে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট শারমীন সুলতানা বলেন, সঞ্জয়কে কারাদণ্ড আর মেহেদীকে পুলিশে দেয়া হয়েছে। জাজকোর্ট তার শাস্তি নির্ধারণ করবে।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এম আমজাদ আলী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন কোনদিনই ফাঁস হয়নি। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আমরা দেখেছি, একটি কুচক্রী মহল ফটোশপে ‘খ’ ইউনিটের প্রশ্নকে ‘গ’ ইউনিট লিখে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়কে কলুষিত করতে চায়।
এদিকে, ভর্তিপরীক্ষা কে কেন্দ্র করে রাতভর অভিযান চালায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সারারাত অভিযান চালিয়ে রাত তিনটায় পশ্চিম রাজাবাজার থেকে এক জনকে আটক করে তারা। তার তথ্যানুসারে সকাল ৮টায় আরো দুইজনকে আটক করে ডিবি।
সকাল ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ হলে অভিযান চালায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে সেখান থেকে কাউকে আটক করা হয়নি।
এছাড়াও রাত ২টার দিকে রমনা থানা পুলিশ জালিয়াত চক্রের দুই সদস্যকে আটক করেছে বলে জানা গেছে। তারা রমনা থানা পুলিশের হেফাজতে আছে। তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।