ঢাকাFriday , 16 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মালিকের প্রেরণা সানিয়া!

Link Copied!

malik-soniaস্পোর্টস ডেস্ক : ২২ গজে রানের ফোয়ারা ছোটাচ্ছেন শোয়েব মালিক। দু’বছর পর ওয়ানডে ক্রিকেটে ফিরে সাবেক পাকিস্তান অধিনায়কের কাছে রান করা যেন পৃথিবীর সহজতম কাজ হয়ে গেছে। ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেঞ্চুরি, এরপর শ্রীলংকা হয়ে জিম্বাবুয়ে সফর যেখানেই গেছেন মালিকের কথা শুনেছে ব্যাট। ১০০ ব্যাটিং গড়ই বলে দিচ্ছে, কতটা তুঙ্গস্পর্শী ফর্মে আছেন তিনি। পাকিস্তান টিম ম্যানেজম্যান্টও পুরনো মালিককে চিনতে ভুল করেনি।
আবু ধাবি টেস্টে ওয়ানডে অধিনায়ক আজহার আলির জায়গায় খেলতে নেমে ক্যারিয়ার সেরা ২৪৫ রানের ইনিংস খেলেছেন মালিক। তার এই সাফল্যের গোপন রহস্য কী, প্রশ্নটা উঠেই যাচ্ছে। তবে মালিকের কল্যাণে গোপন বিষয় আর থাকলো না গোপন। তিনি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গেই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়ে দিলেন, তার স্ত্রী সানিয়া মির্জাই এমন ফর্মের পেছনে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করেছেন।
কিভাবে? শুনুন মালিকের মুখে, ‘প্রতিদিনই একটি করে ডাবল সেঞ্চুরি আসে না। সাধারণত সানিয়া যখন টেনিসে জেতে, এটা আমাকে ভালো ক্রিকেট খেলতে অনুপ্রাণিত করে। এটা দারুণ ব্যাপার যে আমরা স্বামী-স্ত্রী দু’জনই খেলাধুলা করি। আমার ডাবল সেঞ্চুরি ও দারুণভাবে উদযাপন করেছে। একইভাবে আমিও তার জয়কে উদযাপন করি।’
৫ রানে এক উইকেট হারানোর পর ক্রিজে গিয়েছিলেন মালিক। দ্বিতীয় উইকেটে মোহাম্মদ হাফিজের সঙ্গে যোগ করেছেন ১৬৮ রান। আসাদ শফিকের সঙ্গে মালিক পঞ্চম উইকেটে তুলেছেন ২৪৮ রান। ৬৪৭ মিনিটে ক্রিজে অবস্থানকালে একবারই মালিকের পেশিতে টান পড়েছিল। কিছুটা পানিশূন্যতায়ও ভুগেছেন। এসব কিছুকে হাসিমুখে বরণ করেছেন মালিক। কারণ তাকে যে হতে হবে ক্যামব্যাক কিং, ‘সত্যি কথা বললে, এটা ছিল খুবই কঠিন। কিন্তু এটা ছিল আমার ক্যামব্যাক ইনিংস, সবকিছু তাই হাসিমুখে মেনে নিয়েছি।’
আবু ধাবি টেস্টের আগে মালিক শেষ টেস্ট খেলেছিলেন ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। এর কয়েক মাস পরই তিনি বিয়ে করেন ভারতের টেনিস কন্যা সানিয়াকে। বিয়ের পর হঠাৎই পাকিস্তানের টেস্ট দল থেকে জায়গা হারালেন। মালিক নিয়মিত সুযোগও পাচ্ছিলেন না ওয়ানডেতে।
এ বছর এপ্রিলে মালিক বড় প্রেরণা পান সানিয়ার কাছ থেকে যখন তিনি ডাবলস জিতলেন। জুলাইয়ে সুইস তারকা মার্টিনা হিঙ্গিসের সঙ্গে জুটি বেধে সানিয়া জিতলেন উইম্বলডন। স্ত্রী সানিয়ার সাফল্যই মালিকের মধ্যে জন্ম দিয়েছে ক্রিকেটে ভালো করার তাড়না। যার ফল পেতে শুরু করেছেন সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক। আর এরকম স্ত্রী যার ঘরে তাকে নিয়ে গর্ব না করে পারা যায়,‘ আমি তাকে নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত।  আমি আমার মোবাইলে একটা সফটওয়্যার আপলোড দিয়েছি যাতে সানিয়ার ম্যাচের আপডেট পাওয়া যায়। সেও সবসময় বলে যে, ক্রিকেট তার প্রিয় খেলা।’ বোঝাই যাচ্ছে মালিক-সানিয়ার রসায়ন ভালোই জমেছে!