ঢাকাFriday , 16 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

একমাত্র ফেরদৌসই ছিল ঋতুপর্ণার ভরসা

Link Copied!

rituparna-senguptaবিনোদন ডেস্ক : ‘দিনের পর দিন কিছু পরিচালক ফোন করে বলেছেন আমার জন্য স্ক্রিপ্ট লিখেছেন। সেই মানুষগুলোই পরেরদিন কোনো পার্টিতে দেখে কথা না বলে এড়িয়ে গেছেন! হয়তো লজ্জায় বেরিয়ে গেছেন, আমাকে ফেস করতে পারেননি। হয়তো আমার সঙ্গে কাজ করলে ওদের কেরিয়ারের ক্ষতি হবে ভেবেছেন।’ এমনটাই আক্ষেপ কলকাতার নায়িকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। অবশ্য তাকে কলকাতার নায়িকা বললে ভুল হবে; তিনি তো বলিউড, ঢাকার চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন।
এক সময় তার দাপট ছিল, ছিল জৌলস। কিন্তু বিগত ১২ বছর শত শত অপমান, অবজ্ঞা জুটেছে তার জীবনে। এমনকি এই ক্রমাগত বঞ্চনার পর বারবার ফিরে আসার ক্ষমতাকেও অবজ্ঞা করা হয়েছে নানা মহলে। আড্ডায় বলা হয়েছে- ‘ঋতু হলো কই মাছের প্রাণ। কিছুতেই কিছু করা যায় না।’ কেউ বলেছে- ‘লাস্ট সাত বছরে একটা হিট ছবির নাম বলতো?’ অথচ অদম্য ঋতুকে কিছু করা যায়নি।
আজ শুক্রবার সাম্প্রতিককালে তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছবি ‘রাজকাহিনি’ মুক্তি পাচ্ছে। পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরেই তার এই কামব্যাক। আবার দিন পনেরোর মধ্যে শ্যুটিং শুরু হচ্ছে প্রসেনজিতের সঙ্গে। রাজ্য সরকার থেকেও ইদানীং তিনি স্বীকৃত। মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে অনুষ্ঠানে যান।
নানা অপমান আর জ্বালা সহ্য করতে করতে আচমকা ২০১৫ সালটা নিজের করে নিয়েছেন ঋতুপর্ণা। অভাবিত প্রত্যাবর্তনই বলা যায়। যা কতদিন স্থায়ী হবে কেউ জানে না। কারণ বয়স আর ঋতুর বন্ধু নয়। কিন্তু স্রেফ সংকল্প, পরিশ্রম আর অভিনয় ক্ষমতা— এই ত্রিভূজে ভর দিয়ে ফের টালিগঞ্জের এক নম্বর নায়িকার দাবিদার হয়ে গিয়েছেন ঋতুপর্ণা।
ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে জড়িত সবাই জানে, গত কয়েকবছর এক নম্বর নায়িকার মুকুট তার মাথায় ছিল না। ঋতু যখন ক্রমশ একা একা ছবি করতে বাধ্য হচ্ছেন। বড় কোনো হিরো বা প্রযোজকের কোনো সাহায্য ইন্ডাস্ট্রিতে পাচ্ছেন না। সেই সময় জাঁকিয়ে বসেছিলেন কোয়েল মল্লিক। সেই সঙ্গে ছিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় আর শ্রাবন্তী। দু’জনই ভালো অভিনেত্রী। দু’জনই সুন্দরী। তাদের দাপটে ধীরে ধীরে তলানিতে পড়ে যাচ্ছিলেন ঋতুপর্ণা। গত বারো বছর তার সঙ্গে ছিলেন না প্রসেনজিৎ। হিরো হতে এতটুকু আগ্রহ দেখাননি দেব বা জিতের কেউই। পাশে ছিল না সবচেয়ে বড় প্রোডাকশন হাউজও। তখন শুধু পাশে ছিল বাংলাদেশির নায়ক ফেরদৌস। কখনো কখনো যিশু সেনগুপ্তও তাকে ছবিতে সঙ্গ দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে ঋতুপর্ণা বলেন, ‘আমি জানতাম, যুদ্ধটা একা লড়তে হবে। এটা আমার জীবনের দীর্ঘ আর কঠিনতম লড়াই। চারিদিকে তখন শুধুই প্রবঞ্চনা আর হেরে যাওয়া। কখনো কখনো ভাবতাম এই হিরোলেস ফেজটা কাটাব কেমন করে? তার পর নিজের ছবিতে নিজেই হিরো হয়ে উঠলাম।’