ঢাকাFriday , 16 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ল্যাবে তৈরি করা হলো মস্তিষ্ক

Link Copied!

brainতথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : মানুষের মস্তিষ্ক নিয়ে এখনও বিশেষ কিছু জানা যায় নি। যে কারণে এটি নিয়ে রহস্য থেকেই গেলো। তবে, ব্রেন বা মস্তিষ্কই যে শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, এ নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। কিভাবে মস্তিষ্কের বিকাশ হয় বা কি কারণে মস্তিষ্ক দুর্বল হয়ে পড়ে, তা কিন্তু এখনও পুরোপুরি জেনে বুঝে উঠতে পারেননি গবেষকরা।
এর একটা কারণ, মানুষের মস্তিষ্ক নিয়ে এখনো খুব একটা গবেষণার সুযোগ হয়নি। হয় অন্য প্রাণীর মস্তিষ্কে গবেষণা চালাতে হয়েছে, নয়তো মৃত ব্যক্তির মস্তিষ্ক পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীদের ধারণা গড়ে উঠেছে। কিন্তু এটা অস্বীকারের উপায় নেই- ব্রেন কিভাবে কাজ করে, তা কখনোই এই মৃত মস্তিষ্ক পরীক্ষা করে জানা সম্ভব নয়। কার্যক্ষেত্রে হয়েছেও তাই। যে কারণে মস্তিষ্কের অনেক কিছুই আজও অজানা, রহস্যে ঘেরা।
তবে, শিগগিরই ব্রেনের সেই ‘রহস্য’ উন্মোচন হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। যার নেপথ্যে রয়েছে মার্কিন প্রবাসী এক ভারতীয় বিজ্ঞানী। এই বিজ্ঞানীর নাম ড. রেনে আনন্দ।
তিনি গবেষক হিসেবে কাজ করেন ওহিও স্টেট ইউনিভার্সিটিতে।  তার নেতৃত্বে একদল নিউরো-গবেষক তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। ল্যাবে কৃত্রিমভাবে তারা তৈরি করে ফেলেছেন ‘মিনি ব্রেন’। গবেষণাগারে ক্রমে বেড়ে উঠেছে সেই ব্রেন। এ ধরনের গবেষণা এই প্রথম।
ওহিও স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা জানাচ্ছেন, পরিণত ত্বকের কোষ সংগ্রহ করেই তারা  ‘মিনি ব্রেন’ বানাতে সক্ষম হয়েছেন।
এই নিউরো-গবেষকরা আশাবাদী, অদূর ভবিষ্যতে অ্যালঝাইমার্স, অটিসম, ব্রেন ক্যানসারের মতো অসুখের গবেষণায় কাজে দেবে তাদের তৈরি ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক। এই কৃত্রিম ব্রেনেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো সম্ভব হবে। যদিও তারা এই মিনি ব্রেনকে এখনই ‘অর্গ্যান’ বলছেন না, তারা ‘অর্গ্যানয়েডস’ বলে উল্লেখ করেছেন।
কেন হঠাত্‍‌ এ ধরনের আবিষ্কার? ড. আনন্দের কথায়, ব্রেন নিয়ে এখনও পর্যন্ত যা-কিছু অজানা রয়েছে, গবেষণাগারে পরীক্ষা চালিয়ে সেই রহস্যের জাল ছিঁড়তেই এই মিনি ব্রেন।