ঢাকাWednesday , 14 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ে ৪০ নতুন প্রকল্প

Link Copied!

Obaidul Kaderনিজস্ব প্রতিবেদক : উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয় ৪০টি নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘২০০৯ থেকে ২০১৩ মেয়াদে ১২৬টি প্রকল্প সমাপ্ত হয়েছিল। সরকারের বর্তমান মেয়াদের প্রথম অর্থবছরে ৪৫টি প্রকল্প সমাপ্ত হয়েছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আরো ৪০টি নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।’
বুধবার সকালে নিজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দপ্তরগুলোর বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয় এডিপি বাস্তবায়নে অতীতের শম্বুক গতির বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসেছে। পরপর দুই বছর শতভাগ এডিপি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে চমক সৃষ্টি করেছে।
অজুহাতের কারণে প্রকল্পকাজ দেরি হলে এবং কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠলে প্রকৌশলী, ঠিকাদার কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না হুঁশিয়ারি করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘প্রায় সময় কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কর্মসম্পাদন  চুক্তির মাধ্যমে কাজের গুণগত মান বিবেচনায় আনা হবে। এ ক্ষেত্রে আমরা কঠোর অবস্থানের দিকে যাচ্ছি। কোনো কর্মকর্তা, প্রকৌশলী কিংবা ঠিকাদার গাফিলতি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তা ছাড়া, নানান অজুহাতে প্রকল্পকাজ দেরি হলে সংশ্লিষ্ট কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
তিনি আরো বলেন, ‘ইতিমধ্যে নানান অজুহাতে কাজে দেরি করার জন্য যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে আমরা ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছি। সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বা কর্ম এলাকার প্রকৌশলীরাও এ থেকে ছাড় পাবেন না।’
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি দফতরের দক্ষতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রত্যাশিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য এ কর্মসম্পাদন চুক্তি। এ ধরনের ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চালু রয়েছে। আমরা এটি চালু করেছি। এটি অনেকটা পেট্রন-ক্লায়েন্ট রিলেশনশিপের মতোই।’
তিনি আরো বলেন, মন্ত্রণালয় নির্দিষ্ট কাজের বিপরীতে অর্থ দেবে। আর মাঠপর্যায়ে সে কাজ বাস্তবায়ন করবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো। সঠিক মান বজায় রেখে শেষ হলো কি না, সেবাগ্রহীতারা উপকার পেল কি না, তা বিভিন্ন পরিমাপকের মধ্য দিয়ে যাচাই করা হবে। এতে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে, অপচয় বন্ধ হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা এখন দুটি প্রাধিকার চিহ্নিত করেছি। একটি হচ্ছে কোয়ালিটি ওয়ার্ক নিশ্চিত করা। আর অপরটি নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করা। আপনারা দেখেছেন, অনেক ক্ষেত্রে মেরামত বা সংস্কারকাজের গুণগত মান বজায় রাখা হচ্ছে না।’
এর আগে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে এ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ চারটি দপ্তরের প্রধানরা বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এম এ এন ছিদ্দিক, সওজের প্রধান প্রকৌশলী মো. ফিরোজ ইকবাল, বিআরটিএর চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান, ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক মো. কায়কোবাদ হোসেনসহ সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।