ঢাকাWednesday , 14 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গোলাগুলিকে জীবনেরই অংশ মনে করেন মার্কিনীরা

Link Copied!

Guli-আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত ১ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের অরিগন অঙ্গরাজ্যের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দুক হামলায় ১০ জন প্রাণ হারিয়েছিল। যদিও দেশটিতে এ ধরনের হামলা কোনো নতুন ঘটনা নয়। এরপরও আরো একাধিক বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং বেশ কিছু মানুষ মারাও গেছেন। এ ঘটনার পর দেশটিতে প্রচলিত অস্ত্র আইন কঠোর হওয়া পক্ষে জোর দাবি ওঠেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তিনজনের একজন নাগরিক মনে করে থাকেন এ ধরনের ‘গণ গোলাগুলি’ (মাস শুটিং) জীবনেরই একটা অংশ। নতুন এক জরিপে এমন তথ্য ওঠে এসেছে।
আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ভিত্তিক সংস্থা ‘ইউগভ’ পরিচালিত নতুন জনমত জরিপে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮ ভাগ মানুষ মনে করেন এ ধরনের মাস শুটিং বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু দেশটির ৩৫ শতাংশ বা প্রতি তিনজনের একজন মার্কিনী আবার একে ‘জীবনের বাস্তবতা’ (ফ্যাক্ট অব লাইফ) হিসেবে দেখে থাকেন।
নতুন জরিপে দেখা যায়, দেশটির ৪৯ ভাগ জনগোষ্ঠী বন্দুক আইন কঠোর করার পক্ষে মত দিলেও ১৯ ভাগ মার্কিনী এ আইন আরো শিথিল করার পক্ষে। ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক দলের ৭৪ ভাগই সমর্থক বন্দুক আইন নিয়ন্ত্রণ করার পক্ষে থাকলেও রিপাবলিকানদের মধ্যে এ সংখ্যা মাত্র ২৭ ভাগ।
অরিগনের বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ওই ভয়াবহ বন্দুক হামলার পর প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এ জাতীয় বন্দুক হামলাকে সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। মজার বিষয় হল, যুক্তরাষ্ট্রে বিচ্ছিন্ন গোলাগুলির ঘটনায় প্রতিবছর যত মানুষ মারা যায় সন্ত্রাসী হামলায় নিহতের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক কম।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর টুইন টাওয়ার হামলাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী হামলায় দেশটিতে গত ১৫ বছরে ৩ হাজার মার্কিনী প্রাণ হারিয়েছে। অন্যদিকে বন্দুক হামলায় নিহতের সংখ্যা হচ্ছে ১ লাখ ২০ হাজার ৩৪৭।
অরিগনে নিহতদের পরিবারগুলোকে সমবেদনা জানাতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেছিলেন,‘প্রার্থণা করছি যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় আমাকে যেন আর কখনো এধরনের পরিস্থিতিতে পরতে না হয়। গুলিতে নিহতদের কোনো শোকার্ত পরিবারকে যেন আর সান্তনা দিতে না হয়।’
যদিও একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেব এ ধরনের প্রার্থণা যে কতটা অবাস্তব পরে তিনি নিজেই তা স্বীকার করেছেন। তার ভাষায়,‘প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আমার এ আশা পূরণ হবে এর কোনো নিশ্চয়তা নেই।’