ঢাকাWednesday , 14 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইউনিসকে প্রশংসায় ভাসালেন মিয়াঁদাদ-ইনজামাম

Link Copied!

younisস্পোর্টস ডেস্ক : ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩৮ রানের ইনিংস খেলার পথে কিংবদন্তী জাভেজ মিয়াঁদাদকে হটিয়ে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েন ইউনিস খান। দেশটির সাবেক দুই অধিনায়ক ও কিংবদন্তী তারকা মিয়াঁদাদ ও ইনজামাম-উল-হক রেকর্ডের চূড়ায় উঠায় কঠোর পরিশ্রমী ও আত্মপ্রত্যয়ী ইউনিস খানকে প্রশংসায় ভাসালেন।
৩৭ বছর বয়সী ইউনিস খান মঙ্গলবার আবু ধাবি টেস্টের প্রথম দিন মঈন আলির বলে উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে এসে দারুণ এক ছক্কা মেরে মিয়াঁদাদকে পেছনে ফেলে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ টেস্ট রানের রেকর্ড গড়েন। ১২৪ টেস্টে ৮ হাজার ৮৩২ রান নিয়ে এতদিন সবার ওপরে ছিলেন বড়ে মিয়াঁ। মঙ্গলবার এই কিংবদন্তী ক্রিকেটারকে ছাড়িয়ে চূড়ায় উঠলেন ইউনিস।
মজার ব্যাপার হলো- মঈন আলির বলে ছক্কা মেরে ইউনিস খান শুধু মিয়াঁদাদকে ছাড়িয়ে যাননি, ছাড়িয়ে গেছেন ৮ হাজার ৮৩০ রান করে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইনজামামকেও। স্বভাবতই পাকিস্তানের দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়কে প্রশংসায় ভাসালেন বড়ে মিয়াঁ ও ইনজি।
মঙ্গলবার ইউনিসের রেকর্ড নিয়ে এএফপিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জাভেদ মিয়াঁদাদ বলেন, ‘আমি আনন্দিত যে, একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক আমার রেকর্ড ভেঙেছে, যে সবসময় দল এবং দেশের হয়ে খেলে। সে অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রমী খেলোয়াড়, যে আত্মপ্রত্যয় ও সততার মাধ্যমে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে।’
ছাত্র হিসেবে যে ইউনিস খান অনেক বেশি মনোযোগী সেটিও জানান একসময় ইউনিস খানকে কোচিং করানো জাভেদ মিয়াঁদাদ, ‘ইউনিস আমার কোচিংয়ের অধীনে খেলেছিল এবং আমি তাকে অনেক বেশি মনোযোগী ছাত্র হিসেবে পেয়েছি। সে সবসময় শিখতে চাইতো এবং নিজের সামর্থ্যের সবটুকু নিংড়ে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিল, যেটি গ্রেট খেলোয়াড় হওয়ার পূর্ব-লক্ষ্মণ।’
তবে মিয়াঁদাদ চান ইউনিস যেন এখানেই থেমে না থেকে আরো সামনে এগিয়ে যান, দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নেন, ‘আমি তার প্রতি শুভ কামনা জানাই। এখন সে আমার রেকর্ড ভেঙেছে। আমি আশা করি সে এখানেই থামবে না এবং গত ১৫ বছর ধরে যেমন খেলেছে ঠিক তেমনটি খেলে যাবে।’
২০০৩ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ইনজামাম-উল-হকের অধিনায়কত্বে খেলেছিলেন ইউনিস খান। ইনজি জানান, কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়েই ইউনিস আজ এই জায়গায় পৌঁছতে পেরেছে।
মুলতানের সুলতান হিসেবে পরিচিত ইনজামাম-উল-হক বলেন, ‘যখন সে প্রথম দলে আসলো, আমি দেখলাম সে খুব বেশি মেধাবী ক্রিকেটার নয়। তবে নিজের কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে যে দুর্দান্ত ক্রিকেটারে পরিণত হয়েছে। দলের প্রয়োজনের সময় সে অনেক রান করেছে। যেটা একজন গ্রেট টিম-ম্যান হয়ে উঠার লক্ষ্মণ।’
প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ টেস্ট রানের মালিক বনার পাশাপাশি দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩০টি সেঞ্চুরির মালিক ইউনিস খান। পাশাপাশি কমপক্ষে ১০টি টেস্ট খেলেছেন এমন পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের মধ্যে রান গড়ের (৫২.৬২) দিক থেকেও এগিয়ে রয়েছেন পাকিস্তানের এই নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান।