ঢাকাTuesday , 13 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হারতে হারতে জিতলো খুলনা

Link Copied!

khulnaস্পোর্টস ডেস্ক : শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে হারতে হারতেই জিতে গেলো স্বাগতিক খুলনা বিভাগ। জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) তৃতীয় রাউন্ডে প্রথম স্তরের ম্যাচে বাঁহাতি অভিজ্ঞ স্পিনার আবদুর রাজ্জাক ও তরুণ অফস্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজের ঘূর্ণি জাদুতে রংপুর বিভাগের বিপক্ষে ১৩ রানের জয় পায় খুলনা বিভাগ।
সোমবার তৃতীয় দিনের খেলা শেষে জয়ের জন্য খুলনার প্রয়োজন ছিল ৪ উইকেট আর রংপুরের প্রয়োজন ১৪২ রান।
রংপুরের ব্যাটসম্যান নাঈম ইসলামকে নিয়ে ভালোই এগুচ্ছিল ধীমান ঘোষ। ১২০ রানের মাথায় মুরাদের বলে ৩৮ রান করে ফিরে যান নাঈম ইসলাম। তখনই মূলতঃ রংপুরের জয়ের আশা ফিকে হতে শুরু করে। তবুও আরিফুল হক এবং সাদ্দামকে নিয়ে ছোট ছোট পার্টনারশিপ গড়ে জয়ের দিকেই রংপুরকে নিয়ে যাচ্ছিলেন ধীমান।
কিন্তু মেহেদি হাসান মিরাজের সামনে আর টিকতে পারলেন না। রংপুরের ওপর আবারো আঘাত হানেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। পরপর দুই উইকেট তুলে নিয়ে রংপুরের জয়ের পথ বন্ধ করে দেন মিরাজ। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট করেন দ্বিতীয় ইনিংসে রংপুরের সর্বোচ্চ রান করা ধীমান ঘোষকে। ৫৬ রানে ধীমানের বিদায়ের পর জয়ের খুব কাছাকাছি চলে যায় খুলনা বিভাগ।
শেষ দিকে সঞ্জিত সাহাকে নিয়ে সাদ্দামের সাহসী ইনিংসও থামাতে পারেনি খুলনার জয়। ১৫ রানে জিয়ার বলে মিরাজের হাতে ধরা পড়েন সাদ্দাম। সঙ্গে সঙ্গে যবনিকাপাত ঘটে ম্যাচেরও। শ্বাসরূদ্ধকর ম্যাচে ১৩ রানের জয় পায় খুলনা বিভাগ।
এর আগে দ্বিতীয় ইনিংসে খুলনার ছুড়ে দেয়া ২০০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই স্পিনারদের ঘূর্ণি ফাঁদে পড়ে উইকেট হারাতে থাকে রংপুর। দলীয় ৩৫ রানের মাধ্যেই পাঁচ ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে ধুঁকতে শুরু করে উত্তর বঙ্গের দলটি। এরা হলেন, তারিক আহমেদ (৯), সোহরাওয়ার্দী শুভ (৪), সায়মন আহমেদ (৯), তানভির হায়দার (৪), সাজেদুল ইসলাম (০)। এ ৫ উইকেটের মধ্যে রাজ্জাক ৩টি আর বাকি ২টি মিরাজের শিকার।
এরপর রংপুরের অধিনায়ক নাসির হোসেন ব্যাটিংয়ে নেমে রাজ্জাকের ওপর চড়াও হয়ে চাপ কমানোর চেষ্টা করেন। তবে তিন ওভার পর এসে সেই রাজ্জাকই সাজঘরে ফেরান নাসিরকে (১৭)। ৩৭তম ওভারের পঞ্চম বলে নাসিরের বিদায়ের পরই দিনের খেলা সমাপ্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা। স্কোর ৬ উইকেট হারিয়ে ৫৮ রান। নাঈম ইসলাম ১৫ রান নিয়ে শেষ দিনে ব্যাটিংয়ে নামবেন। তার সঙ্গে যোগ দেবেন আরিফুল হক।
এর আগে রংপুর বিভাগের স্পিনার সঞ্জিত সাহার ঘূর্ণিতে খুলনা বিভাগের দ্বিতীয় ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ২০৮ রানে। দলের সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন ওপেনার মেহেদী হাসান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান আসে মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাট থেকে। এছাড়া এনামুল হক ৩১ ও তুষার ইমরান ২৯ রান করেন। রংপুরের অফ স্পিনার সঞ্জিত সাহা একাই ৭ উইকেট নেন ৬৪ রানে খরচায়। এর আগে প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন ১৭ বছর বয়সি এই ডানহাতি স্পিনার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: খুলনা বিভাগ:  ১ম ইনিংস ২১১ও ২০৮ ( মেহেদি ৪১, মিরাজ ৩৩, এনামুল ৩১, তুষার ২৯, রবিউল ২১, জিয়াউর ১৬, সঞ্জিত /৬৪, সাজেদুল ১/২১, শুভ ১/৫৯, তানভীর ১/৪৯)।
রংপুর বিভাগ: ১ম ইনিংস ২২০ ও ১৮৬ ( ধিমান ৫৬, নাসির ১৭, নাঈম ৩৮*; রাজ্জাক ৪/৪৪, মিরাজ ৪/৫৩, জিয়া ১/৪ ও মুরাদ ১/২৩।