অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : সোনালী ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখা থেকে পেনশনের ১৬ কোটি ৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে ব্যাংক কর্মকর্তা ও সরকারের কিছু উর্ধ্বতন কর্মকর্তার একটি চক্র। অনুসন্ধানে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় ৬ ব্যাংক কর্মকর্তা, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ মামলার অনুমোদন দেয় কমিশন। আর শিগগিরই এ মামলা দায়েরের জন্য দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালককে বলা হয়েছে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুদকের অনুমোদিত মামলায় সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তারা হলেন : ব্যাংকটির ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) সিরাজুল হক, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (পরিদর্শন ও নিরিক্ষা বিভাগ-১) মো. ফজলুর রহমান, সরাইল শাখার যুগ্ম জিম্মাদার মোতাহার হায়দার মোল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার যুগ্ম জিম্মাদার মো. আবদুল ওয়াদুদ, সাবেক অফিসার মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া এবং সাবেক অফিসার (সাময়িক বরখাস্ত) মো. খলিলুর রহমান।
প্রনব কুমার ভট্টাচার্য জানান, আসামিরা সবাই এক সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ও উপজেলাগুলোর হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের বিভিন্ন পদে দায়িত্বরত ছিলেন। তারা ওইসব অসাধু ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শাখা থেকে পেনশন গ্রহণকারী পেনশনারদের নামে ভুয়া বিলের মাধ্যমে সরকারি ১৬ কোটি ৬ লাখ ২হাজার ৯৬২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। যা দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হওয়ায়, তাদেরকে আসামি করে একটি মামলার দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

