ঢাকাTuesday , 6 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘পেটেন্ট সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষরে সরকার ইতিবাচক’

Link Copied!

govঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ভবিষ্যত প্রজন্মের মেধাসম্পদ সুরক্ষায় পেটেন্ট কো-অপারেশন ট্রিটি ও মাদ্রিদ প্রোটোকলে স্বাক্ষরের বিষয়ে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন শিল্পসচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, এনডিসি।
সোমবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত ‘বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার (ডবি¬উআইপিও) সদস্য দেশগুলোর সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত ৫৫তম বার্ষিক নীতি নির্ধারণী সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে শিল্পসচিব এ কথা জানান।
তিনি জানান, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি বিনির্মাণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ মেধাসম্পদের সুরক্ষা ও উন্নয়নে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে সরকার সম্প্রতি বাংলাদেশের মেধাসম্পদ সম্পর্কিত আইন ও বিধিমালা সংশোধন করে যুগোপযোগী করেছে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার মহাপরিচালক ফ্রান্সিস গারিসহ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।
শিল্পসচিব বলেন, বাংলাদেশে মেধাসম্পদ সুরক্ষা, মেধাসম্পদ সম্পর্কিত ডাটাবেজ সংরক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সম্পদের উন্নয়নের লক্ষ্যে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার সহায়তায় ইতোমধ্যে দুটি প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যান্য স্বল্পোন্নত দেশের মেধাসম্পদ সম্পর্কিত তথ্যের আদান-প্রদান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্র দুটি মডেল হতে পারে।
২০১১ সালের ইস্তাম্বুল ঘোষণা অনুযায়ী স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মেধাসম্পদের উন্নয়নে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধির তাগিদ দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ১০ দিনব্যাপী আয়োজিত এ সভা সোমবার শুরু হয়েছে। আগামী ১৪ অক্টোবর এটি শেষ হবে। এতে শিল্পসচিবের নেতৃত্বে বাংলাদেশের দুই সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছেন। পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদফতরের (ডিপিডিটি) রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সানোয়ার হোসেন ভূঁইয়া প্রতিনিধিদলে রয়েছেন।
সম্মেলনে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে ভারত ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) পক্ষে বেনিন বক্তব্য তুলে ধরে। এতে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার সদস্যভূক্ত ১৮৮টি দেশের প্রতিনিধিরা সংগঠনের চলমান কর্মসূচি পর্যালোচনা করে আগামী দিনের জন্য টেকসই কর্মকৌশল ও পরিকল্পনা গ্রহণ করবে।
সভায় অংশগ্রহণের ফলে মেধাসম্পদের সুরক্ষা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশে গৃহিত সাম্প্রতিক উদ্যোগ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের  মেধাসম্পদের উন্নয়নে টেকসই কর্মসূচি প্রণয়নের পাশাপাশি ডবি¬উআইপিও’র সঙ্গে ডিপিডিটি’র চলমান সহায়তা কার্যক্রম জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শিল্পসচিবের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল আগামী ১৫ অক্টোবর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।