অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : এখন থেকে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে টিটির (টেলিগ্রাফিক ট্রান্সফার) মাধ্যমে অগ্রিম মূল্য প্রাপ্তিতে নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে।
সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, টিটির মাধ্যমে অগ্রিম মূল্য পরিশোধের শর্তটি রপ্তানি ঋণপত্র বা চুক্তিপত্রে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। মূল্যপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রপ্তানি পণ্যের সঠিক মূল্য ও পরিমাণ এবং বিদেশি ক্রেতার যথার্থতা বা বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো অথবা বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন অথবা লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিশেয়শন থেকে প্রত্যয়ন সনদ নিতে হবে।
সার্কুলারে আরো বলা হয়েছে, অগ্রিম টিটি পদ্ধতিতে চামড়া ও চামড়া জাতীয় পণ্য রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা পরিশোধের ক্ষেত্রে লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনও প্রত্যায়ন সনদ ইস্যু করতে পারবে। দেশের রপ্তানি বাণিজ্যিকে উৎসাহিত করতে সরকার অন্যান্য বছরের মতো চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরেরও কতিপয় পণ্য রপ্তানি খাতে রপ্তানি ভর্তুকি বা নগদ সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ বছর ১৪টি রপ্তানি খাতে নগদ সহায়তা বা ভর্তুকি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সর্বনিম্ন ৩ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত সহায়তা দেয়া হবে। অর্থবছরের শুরু এক জুলাই থেকে আগামী ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই সুযোগ অব্যাহত থাকবে। এরমধ্যে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে সাড়ে ১২ শতাংশ প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছে; যা গত অর্থবছরে ছিল ১৫ শতাংশ।

