মাদারীপুর প্রতিনিধি : ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলের মানুষ। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য অন্যতম প্রবেশদ্বারখ্যাত জেলার শিবচরের কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুটে। সকাল থেকেই দেখা গেছে ঢাকাগামী যাত্রীদের ভিড়। তবে কিছুটা ভিন্ন চিত্রও দেখা গেছে। ঢাকা যাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আবার ঘরমুখো যাত্রীদেরও দেখা গেছে কাওড়াকান্দি ঘাটে। তবে স্বাভাবিক ভাবেই যাওয়ার পরিমাণ ছিল আসার চেয়ে বেশি।
এদিকে, নৌযানগুলোতে ধারণক্ষমতা চেয়ে অধিকযাত্রী যাতে বহন করতে না পারে সেদিকে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দেখা গেছে। শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দীর্ঘ সময় লঞ্চঘাটে অবস্থান করতে দেখা গেছে। এছাড়াও ভ্রাম্যমাণ আদালতের টিমকেও ঘাট এলাকায় নজরদারি রাখতে দেখা গেছে।
বিআইডব্লিউটিএর পরিবহন পরিদর্শক এবিএস মাহমুদ বলেন, ‘লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কোনো সুযোগ নেই। ধারণক্ষমতা অনুযায় গুনে গুনে যাত্রীদের উঠানো হচ্ছে। তাছাড়া প্রতি দশ মিনিট পর পর কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে একেকটি লঞ্চ ছেড়ে যাচ্ছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে নৌরুটে ৮৬টি লঞ্চ চলাচল করছে। প্রতিটি লঞ্চই বেশ বড়। এবং ফিটনেসবিহীন কোনো লঞ্চ এই রুটে নেই। তাছাড়া যাত্রী ভাড়াও বাড়তি নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা এবং প্রশাসনের লোকজন সার্বক্ষণিক নজরে রাখা হচ্ছে এই নৌরুটকে।’
এদিকে, বিআইডব্লিউটিসির কাওড়াকান্দি ফেরিঘাট সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকে ঢাকাগামী পরিবহনের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। তবে প্রচণ্ড চাপ বলতে যায় বোঝায় তা এখনো শুরু হয়নি। চারটি রোরো ফেরিসহ ১৮টি ফেরি বর্তমানে চলাচল করছে। বিআইডব্লিউটিসির কাওড়াকান্দি ঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম মিঞা জানান, ‘নৌরুট স্বাভাবিক রয়েছে। সকাল থেকে কর্মস্থলগামী যাত্রীদের সংখ্যা বাড়ছে।’ শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান আহমেদ জানান, ‘ঈদের ছুটি শেষ হয়েছে। এবার যাত্রীদের কর্মস্থলে ফেরার পালা। কাওড়াকান্দি ঘাটে আমাদের সার্বক্ষণিক মনিটরিং রয়েছে। যাতে যাত্রীরা নির্বিঘ্নে পারপার হতে পারে।’

