ঢাকাTuesday , 22 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মিনায় পৌঁছেছেন হাজিরা

Link Copied!

Hajiআন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসলাম ধর্মের অন্যতম মূল স্তম্ভ হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে গেছে মঙ্গলবার সকাল থেকেই। আগামী পাঁচ দিন ধরে এটি অব্যাহত থাকবে। পবিত্র মক্কা নগরী থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরের মিনা উপত্যকায় জমায়েত হয়েছেন লক্ষ লক্ষ  ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।
সৌদি গেজেট জানিয়েছে, সোমবার রাতেই মিনায় পৌঁছেছেন ৬০ ভাগ হাজি। বাকি ৪০ ভাগ তাঁবুর নগরী বলে পরিচিত মিনায় পৌঁছাবেন মঙ্গলবার সকালে। সৌদি আরবের জেদ্দা, মদিনা, রিয়াদ, দাম্মাম, আবহা, জাজান ও তায়েফ এই সবগুলো শহরের স্রোত আজ মক্কা আর মিনাতে গিয়ে মিলিত হয়েছে। চলতি বছর সৌদিতে বিদেশি হাজির সংখ্যা হচ্ছে ১৩ লাখ ৭৪ হাজার ২০৬ জন। এ সংখ্যা গতবছরের চেয়ে কিছু কম।
হাজিরা আজ রাতটি মিনাতেই কাটাবেন। পরদিন অর্থাৎ বুধবার সকালে তারা সূর্যোদয়ের পরপরই সমবেত হবেন মক্কা থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ঐতিহাসিক আরাফাত ময়দানে। আরাফাত ময়দানেই লাখো হাজির কণ্ঠে উচ্চারিত হবে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লা-শারিকালাকা লাব্বাইক’ ধ্বনি। আরাফাতের ময়দানে শুভ্র সেলাইবিহীন এক কাপড়ে মুসল্লিরা হজের খুতবা শুনবেন এবং জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন। সারাদিন তারা আরাফাতেই থাকবেন এবং হজের খুৎবা শুনবেন।
আরাফাত থেকে মিনায় ফেরার পথে সন্ধ্যায় মুজদালিফায় মাগরিব ও এশার নামাজ পড়বেন মুসল্লিরা। মুজদালিফায় রাতে থাকার সময় পাথর সংগ্রহ করবেন তারা। পরে এসব পাথর মিনার জামারায় শয়তানকে উদ্দেশ্য করে ছুড়বেন হাজিরা।
মিনায় হাজিদের অবস্থানের জন্য ১ লাখ ৬০ হাজার শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত তাবুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাজিদের জন্য আরামদায়ক পরিবেশের নিশ্চিয়তা দিতে মক্কা, মিনা, আরাফাত ও মুজদালিফায় বিলিয়ন বিলিয়ন রিয়াল খরচ করে প্রচুর অবকাঠামো নির্মাণ করেছে সৌদি সরকার।
এদিকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকেই মক্কার আবহাওয়া প্রচণ্ড উষ্ণ ছিল এবং তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠানামা করছিল বলে জানিয়েছে আরব নিউজ। দুপুর নাগাদ এই তাপমাত্র ৪৬ ডিগ্রিতে পৌঁছাবে বলে স্থানীয় আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে। তবে মিনার অবস্থা কিন্তু ভিন্ন। সোমবার রাতে বৃষ্টি হওয়ায় সেখানে বেশ ঠাণ্ডা আবহাওয়া বিরাজ করছে।