স্পোর্টস ডেস্ক : দুটি টেস্ট খেলতে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় আসছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের নতুন অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। অ্যাশেজ পরাজয়ের পর বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে নামবে অস্ট্রেলিয়া। একে তো নতুন অধিনায়ক তার ওপর তরুণ দল নিয়ে বাংলাদেশ সফরে আসছেন স্টিভেন স্মিথ।
নতুন অধিনায়ক, জয়ের মঞ্চে ফেরার লড়াই ও তরুণ দল; তিনের মিশেলে বেশ চাপেই আছেন স্টিভেন স্মিথ! নিজেদের দল নিয়ে চিন্তা করার পাশাপাশি বদলে যাওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিয়েও ভাবতে হচ্ছে স্মিথকে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে চোখ রাঙাচ্ছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে। দলটির প্রাক্তন ক্রিকেটার ও কোচরাও অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলকে সতর্ক করে দিয়েছে।
সতর্ক স্টিভেন স্মিথও বাংলাদেশকে নিয়ে নিজের চিন্তাভাবনার কথা জানিয়েছেন। তবে টেস্ট জয়ের পথ খুঁজে পেয়েছেন বলে দাবি করছেন স্মিথ। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের উইকেটে ‘বিরক্ত’ করে আউট করতে চান স্মিথ। সঠিক লাইন ও নিঁখুত লেন্থ বজায় রেখে বোলাররা একাধারে বোলিং করে গেলে ব্যাটসম্যানরা উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসবে বলে বিশ্বাস করেন স্মিথ!
শনিবার সিডনিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্মিথ, ‘‘এখানে(অস্ট্রেলিয়া) আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলা যায়। চাইলেই আপনি অনেক কিছু করতে পারেন। কিন্তু উপমহাদেশের আউট করতে হলে আপনাকে পন্থা খুঁজে বের করতে হবে। বল যখন টার্ন ও রিভার্স সুইং করবে তখন প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে হবে। হয়ত এটিই সাফল্য পাওয়ার একমাত্র উপায়!’’
এদিকে অস্ট্রেলিয়ার পিটার সিডল জানিয়েছেন, বাংলাদেশে তার মূল অস্ত্রই রিভার্স সুইং। এ নিয়ে ডানহাতি এই পেসার বলেছেন,‘‘অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে আমার রিভার্স সুইং বেশ কার্যকরী| ওখানে (বাংলাদেশে) এটা বেশ কাজে দিবে। সহজাতভাবে আমি যেটা এখানে করি আমি সেটা ওখানে করার চেষ্টা করব। ধৈর্য্য ধরে চাপ তৈরি করে নিখুঁত লাইন ও লেন্থ বজায় রেখে বোলিং করতে হবে। বাংলাদেশের কন্ডিশনে আমি অভিজ্ঞ না হলে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা কাজে দিবে।’’
বন্দরনগরী চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া প্রথম টেস্ট খেলবে। ২০০৬ সালের পর আবারও টেস্ট খেলতে মাঠে নামছে দুই দল। ১৭ অক্টোবর ঢাকায় শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।

