ঢাকাSunday , 20 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘কাক অথবা কাকতাল’ অথবা তিশা

Link Copied!

kakবিনোদন ডেস্ক : বনানীর পাঁচ নাম্বার গেটের কোল ঘেষে দাড়ানো একটা লাল বিল্ডিং। মুল ফটক পেরিয়ে গুনে গুনে দশ কদম এগুতেই দেখা মিলল তিশার। গায়ে কালো শাড়ি, হাতে সোনার চুরি, পায়ে স্পঞ্জের সান্ডেল। হাতে শপিং ব্যাগ। মাত্র শপিং করে ফিরলেন। লিফটের মুখে দাড়িয়ে আছেন। থাকেন পাঁচতলায়। তার পেছনে এক তরুণ। নাম সাব্বির। সাব্বিরের চোখে চশমা, গায়ে নীল গেঞ্জি। চেহারা ছিমছাম। দুজন মুখোমুখি দাড়ালেন। বাম হাতে লিফটের বাটনটা চাপলেন তিশা। দশ সেকেন্ডের মাথায় লিফট হাজির। লিফট থেকে হাত পাঁচেক দুরেই সিড়ি। সিড়িতে বসে ক্যামেরা তাক করে বসে আছেন পরিচালক মুসাফির সৈয়দ বাচ্চু।
পেছন থেকে ইশারায় দুজনকে নির্দেশনা দিচ্ছেন। লিফটের কপাট জোড়া খুলতেই দুজন ভেতরে ঢুকলেন। সঙ্গে সঙ্গে ‘কাট’ বলে উঠলেন পরিচালক। তারপর আর তাদেরকে লিফট থেকে নামতে হয়নি। সোজা চলে গেলেন পাঁচতলায়। এতক্ষনে সিড়ি বেয়ে ক্যামেরাও হাজির হল পাঁচতলায়।
ক্যামেরাটা সিঁড়ি বরাবর ফিট করে আবার দুজনকে লিফটে ঢোকানো হল।ডিরেক্টর সাব্বিরকে বুঝিয়ে দিলেন এইভাবে লিফট থেকে বের হতে হবে। ডিরেক্টরের কথামতো সাব্বির বের হলেন। কিন্তু মাঝখানে বিপত্তি ঘটল। লিফটের একটা কপাট এসে লাগলো সাব্বিরের কনুইয়ে! শর্টটা ক্যান্সেল। শুরু থেকে আবার নিতে হলো শর্টটা। শর্ট শেষে মিনিট দশেকের বিরতি।
সিঁড়িতে বসে পড়লেন তিশা। কেমন আছেন? জিজ্ঞাসা করতেই হাসিমুখে বললেন,‘ভালো আছি।’ নাটকে কি চরিত্রে অভিনয় করছেন? ‘আমার চরিত্রের নাম এশা। নাটকটা নিয়ে এটাই বলবো যে, এখানে একটা মেসেজ আছে। মেসেজটা হলো, অতীতটা সবসময়ই অতীত। সব অতীতকে বর্তমানে আনার প্রয়োজন নেই। এতে করে ভবিষ্যতটা হার্মফুল হয়।’ কথা শেষ হওয়ার আগেই ডাক এলো তিশার। ফের ক্যামেরা রেডি। পরিচালক তার সঙ্গে আলাপ করছেন কোন লোকেশনটায় শটটা নিলে ভালো হয়। তিশা জানালেন এভাবে নেয়া যায়। তিশার পছন্দের আঙ্গেল থেকেই আবার শুরু হলো শর্ট। চল্লিশ সেকেন্ডেই শর্ট ওকে।
ডিরেক্টর মুসাফির সৈয়দের সঙ্গে কথা হলো। কথায় কথায় জানা গেল, নাটকের নাম ‘কাক অথবা কাকতাল’। গল্পটা শুরুর দিকে যেভাবে লেখা হয় পরে তার পরিবর্তন করা হয়। প্রতিদিনই গল্পটা ভাঙছে। আবার গড়ছে। ভাঙাগড়ার গল্পটা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকে সেটাই দেখার বিষয়।
যতটুকু গল্প উদ্ধার করা গেল তার সারমর্ম অনেকটা এমন, তিশার পাশের ফ্লাটেই থাকে সাব্বির। প্রতিদিনই দেখা হয়। কথা হয়। হয় চোখাচোখি। দুজনের ঘরেই ‘পরিবার’ আছে। সাব্বিরের ঘরে শ্রাবণ্য তৌহিদা। আর তিশার ঘরে মামুন। কিন্তু তারপরও সাব্বিরের আচরণটা কিছুটা রহস্যজনক। তিশাকে দেখলেই মাথার চুলগুলো ঠিক করে নেন। আড়চোখে ফলো করেন। তিশার মনোযোগ আকর্ষনের চেষ্টা করেন। কিন্তু তিশার কি মনোযোগ ফেরে? সেটা ঠিক ঠাহর করা গেলনা!