ঢাকাSaturday , 19 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চিন্তিত প্রকৃত চামড়া ব্যবসায়ীরা

Link Copied!

tenaryরাজশাহী প্রতিনিধি : গতবারে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দরে চামড়া কিনতে হয়েছিল ট্যানারি মালিকদের। সে কারণে এখনো অনেক ট্যানারি মালিকের কাছে গতবারের চামড়া মজুদ আছে। চামড়া বিক্রি না হওয়ার কারণে অনেক ব্যবসায়ীর অর্থ লগ্নি হয়ে আছে। গতবারের অর্থ এখনো পাওয়া যায়নি। তার উপরে আবার কোরবানির ঈদ চলে এসেছে।
গতবারের মতো এবারেও মৌসুমি ব্যবসায়ীদের নিয়ে চিন্তায় আছেন প্রকৃত চামড়া ব্যবসায়ীরা।
রাজশাহী জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, কোরবানির মৌসুমে রাজশাহী জেলায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার ভেড়া-ছাগল ও ৩৫ থেকে ৪০ হাজার গরু কোরবানি হয়ে থাকে। এসব কোরবানির পশুর চামড়ার বেশিরভাগ চলে যায় মৌসুমি ব্যবসায়ীদের হাতে।
মৌসুমি ও মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যে বিপাকে রাজশাহী প্রকৃত চামড়া ব্যবসায়ীরা। এতে জেলার চামড়া ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে লোকসানের সম্মুখীন হয়ে থাকে।
রাজশাহীতে বর্তমান সময়ে ষাঁড় জাতীয় বড় গরুর চামড়ার মূল্য দুই হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা, মাঝারি সাইজের ষাঁড়ের এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা, গাভী বা বলদের চামড়া মানভেদে ৭০০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে কেনাবেচা হচ্ছে। এখনো সরকারের পক্ষ থেকে চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়নি। সে কারণে এখনো চিন্তিত আছেন জেলার প্রকৃত চামড়া ব্যবসায়ীরা।
রাজশাহী জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব জানান, প্রতি বছর মৌসুমি ব্যবসায়ীদের জন্য সরকারের বেধে দেয়া নির্ধারিত দামে চামড়া কেনা সম্ভব হয় না। মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কারণে প্রকৃত চামড়া ব্যবসায়ীদের চামড়া কিনতে লড়াইয়ে নামতে হয়। গত মৌসুমে বেশি দামে চামড়া কিনে ট্যানারি মালিকদের কাছে বিক্রি করে অনেক প্রকৃত চামড়া ব্যবসায়ীর অর্থ এখনো লগ্নি হয়ে আছে।
সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব আরো জানান, রাজশাহীতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ১৩৫ জন চামড়া ব্যবসায়ী আছে। সারা বছর অনেক কষ্ট করে চামড়া বেচাকেনা করে সংসার চালালেও কোরবানির সময়ে মৌসুমি ব্যবসায়ীর কাছে অসহায় হয়ে পড়ে।
ভারতে চামড়া পাচারের বিষয়ে তিনি জানান, দেশে এখন চামড়ার দাম অনেক বেশি সে কারণে চামড়া ভারতে পাচারের আশঙ্কা অনেক কম। তিনি অভিযোগ করেন চামড়া শিল্পের বড় ক্ষতি পেছনে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা দায়ী। সরকার যে দাম নির্ধারণ করবে সেই দামের চেয়ে বেশি দামে কেউ চামড়া কিনলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা রাখার পরামর্শ দেন তিনি।