আর্ন্তজাতিক ডেস্ক : ব্যাংককের ইরাওয়ান মন্দিরে হামলার ঘটনায় জড়িত থাকা তিনজনের মধ্যে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। এরা ২ জনই মালয়েশিয়ার নাগরিক। এদের মধ্যে একজন নারী ও একজন পুরুষ। বাকি একজন পাকিস্তানের নাগরিক বলে ধারনা করছে পুলিশ। ওই হামলায় ২০ জন নিহত হয়েছিল এবং আহত হয়েছিল আরো ১২০ জন।
পুলিশের প্রধান খালিদ আবু বকর জানিয়েছেন, অভিযুক্ত দুজনকে কিছুদিন আগে মালয়েশিয়ায় আটক করা হয়েছে। তাদেরকে নিয়েই তদন্ত কাজ চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সোমবার সংবাদমাধ্যমকে খালিদ জানিয়েছেন, বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন তিনজনের মধ্যে একজন পাকিস্তানের নাগরিক। বাকি এক পুরুষ ও নারী মালয়েশিয়ার নাগরিক। তাদেরকে থাই কর্তৃপক্ষের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, মালয়েশিয়ার পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত করছে বলে অপরাধীদের এখনও থাইল্যান্ডে আনা হয়নি। তবে তিনি এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাননি। ১৭ আগস্ট ইরাওয়ান মন্দিরে হামলা চালানো হয়েছিল। তবে কোনো গোষ্ঠী ওই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে থাই সরকার মনে করে ওই হামলার সঙ্গে বিদেশীরাও জড়িত ছিল।
এর আগে আবুদুসাতায়ের আবুদুরেহেমান নামে ২৭ বছর বয়সী এক মুসলিম ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল থাই পুলিশ। শিনজিয়াং এলাকার ওই ব্যক্তি ইশান নামেও পরিচিত। তিনি বোমা হামলার একদিন আগে ব্যাংকক থেকে বাংলাদেশে চলে এসেছিলেন। ওই হামলায় তার যথেষ্ট ভূমিকা ছিল বলে ধারনা করছে পুলিশ। এছাড়া কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই সন্দেহভাজন দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলেও জানা গেছে। এরা হলেন আদেম কারাদাগ এবং ইউসুফু মেরাইলি। আদেম কোন দেশের নাগরিক তা এখনও জানা যায়নি। তবে ইউসুফু জন্মসূত্রে চীনের নাগরিক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

