আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শরণার্থী ইস্যুতে অনেকটাই চাপের মধ্যে রয়েছে ইউরোপের দেশগুলো। শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে ইউরোপকে যেখানে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে সেখানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি শরণার্থীর জন্য তাদের সীমান্ত বন্ধ করে রেখেছে। আন্তর্জাতিক ব্যাপক সমালোচনাও যেন এসব দেশের ভীত নাড়াতে পারছে না।
এমন পরিস্থিতিতেই নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে সৌদি আরব। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে আশ্রয় নয়, বরং শরণার্থীদের জন্য জার্মানিতে ২শ মসজিদ নির্মাণ করবে তারা।
সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তান ও আফ্রিকার কয়েকটি দেশ থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার শরণার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশ করছে। গত সপ্তাহে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছিল, এক বছরে ৩ লাখ ৬৬ হাজার শরণার্থী ইউরোপে প্রবেশ করেছে। তবে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে এ সংখ্যা চার লাখ ছাড়িয়ে গেছে।
চলতি বছরের শেষ নাগাদ আরও চার লাখ শরণার্থী প্রবেশ করবে বলেও সংস্থাটি জানিয়েছে। অথচ সিরিয়ার প্রতিবেশী আরব দেশগুলি শরণার্থীদের আশ্রয়ে এগিয়ে আসছে না। বরং শরণার্থীরা যেন তাদের দেশে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বাহরাইন, কুয়েত, কাতার. ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে।
জার্মান দৈনিক ফ্রাঙ্কফুট অ্যালগিমিন জেইতাং লেবাননের সংবাদপত্র আল দিয়ারের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, গত সপ্তাহে যেসব শরণার্থী জার্মানিতে প্রবেশে করেছে, তাদের প্রত্যেক একশজনের জন্য একটি করে মসজিদ নির্মাণ করবে সৌদি আরব।
তবে চলতি সপ্তাহে যুক্তরাজ্যভিত্তিক আরবি দৈনিক আল হায়াত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রায় পাঁচ লাখ সিরীয় সৌদি আরবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে। তবে তাদের শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় দেয়া হয়নি।

