ঢাকাTuesday , 1 September 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বেল মন্দির ধ্বংসের খবর নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘ

Link Copied!

Palmyraআন্তর্জাতিক ডেস্ক : সিরিয়ার প্রাচীন নগরী পালমিরায় আরো একটি মন্দির ধ্বংসের খবর নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘ। ইসলামি স্টেটের জঙ্গিরা দু হাজার বছরের পুরনো বেল মন্দিরটি  ধ্বংস করেছে বলে সোমবার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হওয়ার মাত্র একদিন পরেই সংস্থাটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হল।
মঙ্গলবার সকালে পালমিরার ধ্বংসপ্রাপ্ত মন্দিরের ছবি প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। ওই স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যাচ্ছে, মন্দিরের প্রায় পুরোটাই মাটির সঙ্গে মিশে গেছে এবং আর কোন স্থাপনা অটুট নেই। এ সম্পর্কে জাতিসংঘের স্যাটেলাইট বিশেষজ্ঞ উনোসাট বলেছেন, ছবি দেখে মনে হয় মন্দিরটির কোনো কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। মন্দির সংলগ্ন পাথরের স্তম্ভের সারিও বিস্ফোরণের মাধ্যমে গুড়িয়ে দিয়েছে জঙ্গিরা।
এর আগে সিরিয়ার প্রাচীন স্থাপনা সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিলেন যে, তার বিশ্বাস বিস্ফোরণের পরেও পালমিরার ওই মন্দিরটির মূল স্থাপনা অটুট রয়েছে। তবে, এখন জাতিসংঘের প্রকাশিত স্যাটেলাইট চিত্র পালমিরার বেল মন্দিরটি ধ্বংসের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
টেম্পল অব বেল বা বেল মন্দির ছিল ইউনিস্কোর  বিশ্ব ঐতিহ্যের একটি অংশ। একে পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি হিসেবে বিবেচনা করা হত।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সিরিয়ার সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক উপমন্ত্রী এবং একজন প্রত্নতত্ত্ববিদ আব্দাল রাযযাক মোয়াজ বলেছেন, এই মন্দির ধ্বংস হওয়া পুরো পৃথিবীর জন্যই একটি বড় ক্ষতি। তার ভাষায়-‘শুধু সিরিয়ার জন্যই নয়, বেল মন্দির ধ্বংস হওয়া মানবতা এবং সারা বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য একটি ভয়াবহ ঘটনা। এটি  ছিল আমাদের নিজস্বতার প্রতীক এবং বিশ্ব ঐতিহ্যের একটি অংশ।’
গত মে মাসে পালমিরা শহরের নিয়ন্ত্রণ নেয় আইএস। এরপর থেকে তারা একের পর এক পুরাকীর্তি ধ্বংস করে যাচ্ছে। তারা গত সপ্তাহেই পালমিরার বালশামিন মন্দির গুড়িয়ে দেবার ভিডিও প্রকাশ করেছিল।
এর আগে পালমিরার এক বাসিন্দা সংবাদ সংস্থা এপি’কে জানিয়েছিলেন,‘মন্দিরটি পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে। ইট আর স্তম্ভগুলো মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই প্রত্যক্ষদর্শী আরো বলেন,‘বিস্ফোরণের বিকট শব্দ বহু দূর থেকেও শোনা গেছে।’ ওই মন্দিরের বেস্টনি প্রাচীরটি কেবল দাঁড়িয়ে আছে বলেও তিনি জানিয়েছিলেন। দেব দেবীতে পূর্ণ বেল মন্দিরটি ছিল ওই স্থাপণার সবচেয়ে সংরক্ষিত এলাকা।