ঢাকাMonday , 31 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘পালমিরার বেল মন্দির অক্ষত আছে’

Link Copied!

Palmyraআন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসলামী স্টেট (আইএস) বিস্ফোরণ ঘটনালেও পালমিরার বেল মন্দিরটি অক্ষত আছে বলে জানিয়েছেন সিরিয়ার পুরাতত্ত্ব বিভাগের প্রধান।
তিনি বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন, এর চারপাশে প্রচণ্ড রকমের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলেও মন্দিরটির মূল কাঠামো, থাম, বেদী আগের মতোই আছে।
এর আগে স্থানীয় অধিবাসীদের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদ সংস্থা এপি জানিয়েছিল, বালশামিন মন্দির ধ্বংসের এক সপ্তাহের ব্যবধানে সোমবার পালমিরার প্রাচীন বেল মন্দিরটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে আইএস।
মন্দির ধ্বংসের পর আইএস ইন্টারনেটে ছবি প্রকাশ করলেও, তারা এ বিষয়ে কিছু বলেনি বা ধ্বংসস্তূপের কোনো ছবি প্রকাশ করেনি।
আইএস জঙ্গিগোষ্ঠী এ বছরের মে মাসে পালমিরা দখলের পর সেখানে খুবই ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অপবিত্র আখ্যা দিয়ে একের পর এক সেখানকার প্রাচীন মন্দিরগুলো ধ্বংস করে দেয় তারা।
সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের উত্তর-পূর্ব দিকের মরু-অঞ্চলে প্রাচীন পালমিরা শহর। এখানে রয়েছে গ্রিক ও রোমান শাসনামলের বিখ্যাত মন্দিরগুলো।
এর আগে এপিকে সেখানকার এক অধিবাসী বলেছিল, মন্দিরটির ওখানে বড়সড় একটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই। এর শব্দে আমাদের কানে তালা লেগে যাওয়ার মতো অবস্থা। পরে সেখানে গিয়ে দেখি মন্দিরটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এর একটি মাত্র দেয়াল দাঁড়িয়ে আছে।
বেল মন্দিরটি প্যাগান দেবতা পালমাইরিনের নামে উৎসর্গকৃত। এটি পৃথিবীর বিখ্যাত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনার একটি।
এর কয়েকদিন আগে বালশামিন নামে আরো একটি বিখ্যাত মন্দির ধ্বংস করে দেয় ইসলামী এ জঙ্গিগোষ্ঠী। তারা ওই মন্দিরটি ধ্বংসের পরে ইন্টারনেটে অনেকগুলো ছবি প্রকাশ করে।
এ মাসের শুরুর দিকে ৮১ বছর বয়সী সিরিয়ার বিখ্যাত প্রত্নতাত্ত্বিক খালিদ আল আসাদকে শিরচ্ছেদ করে আইএস। তিনি ৪০ বছর ধরে পালমিরার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলো দেখাশুনা করে আসছিলেন।
ইউনেস্কোর ডিরেক্টর জেনারেল ইরিনা বোকোভা খালিদ আল আসাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেছেন, আইএস মহান এ লোকটিকে হত্যা করলেও তারা ইতিহাসকে রুদ্ধ করতে পারবে না।
প্রাচীন নগরী পালমিরা ইউনেস্কোর তালিকাভুক্ত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ। সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরুর আগে এটি ছিল পর্যটকদের অন্যতম বড় আকর্ষণীয় কেন্দ্র। প্রাচীন এ শহরটিকে ধ্বংসের নিন্দা জানিয়ে ইউনেস্কো এক বিবৃতিতে বলেছে, এসব স্থাপনা ধ্বংসের মধ্য দিয়ে আইএস যুদ্ধাপরাধ করছে।