বিনোদন ডেস্ক : বলিউড অভিনেত্রী জিয়া খানের মৃত্যু রহস্যের এখনো কোনো কূল কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে আত্মহত্যা বলা হলেও এ অভিনেত্রীর মায়ের দাবি তার মেয়েকে খুন করা হয়েছে। তার সন্দেহের তীরটি জিয়ার প্রেমিক বলিউড অভিনেতা সুরাজ পাঞ্চোলির দিকে। এতদিন বিষয়টি নিয়ে চুপ থাকলেও সম্প্রতি এ ব্যাপারে মুখ খুলেছেন সুরাজ।
জিয়ার ব্যাপারে মুখ খোলার পেছনে অবশ্য সবচেয়ে বেশি অবদান সালমান খানের। শোনা যাচ্ছে, তিনি নাকি সুরাজকে বলেছিলেন, জিয়া খানের ব্যাপার নিয়ে সুরাজ যত চুপ থাকবেন সেটি তত খারাপ হবে। সবার মনে সুরাজ সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হবে। তাইতো মেন্টরের কথা মতোই কাজ করেছেন সুরাজ। জিয়াকে নিয়ে কথা বলেছেন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে।
জিয়া খানকে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুরাজ বলেন, নাফিসা (জিয়া খানের নাম) চিরকাল আমার মনে থাকবেন। যদি আমি ভুল করি, আমাকে কিছুই বাঁচাতে পারবে না। কিন্তু, যদি আমি ঠিক হই, কোনো কিছুই আমাকে শেষ করতে পারবে না।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি তাকে সবসময় মনে করি। প্রত্যেকটা দিন তাকে মনে পড়ে। আপনাদের সঙ্গে আছি তবুও তাকে মনে পড়ছে। প্রিয় মানুষকে সব সময়ই মনে পড়বে।’
২৫ বছর বয়সি হিরো সিনেমার খ্যাত এ তারকা বলেন, ‘তিনি আমার চেয়ে পাঁচ বছরের বড় ছিলেন। আমার বয়স যখন ২১ বছর ছিল, তখন তার বয়স ছিল ২৬ বছর। তিনি আমার চেয়ে ইন্ড্রাস্টি সম্পর্কে বেশি জানতেন।’
২০১৩ সালের ৩ জুন জুহুর ফ্ল্যাটে সিলিং ফ্যান থেকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলতে থাকা জিয়ার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে মৃত্যুর কারণ আত্মহত্যা বলে দাবি করে পুলিশ। কিন্তু জিয়ার মা তার প্রতিবাদ করেন। তিনি জানান, অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চোলির ছেলে সুরাজের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল তার মেয়ের। দাবি করেন আত্মহত্যা নয়, জিয়াকে আসলে খুন করা হয়েছিল।
জিয়ার মা রাবিয়া খানের আবেদনের ভিত্তিতে ২০১৪ সালে মুম্বাই হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তের ভার বর্তায় সিবিআই-এর হাতে।

