নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর নোংরা পানি শোধনের জন্য সরকার খিলগাঁওয়ে ‘দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগার প্রকল্প’ হাতে নিয়েছে। যার ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৩১৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।
আজ মঙ্গলবার এ প্রকল্পসহ ৬ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
রাজধানীর শেরে-বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
‘দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগার প্রকল্প’-এ ২ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য দেবে চায়না এক্সিম ব্যাংক। এছাড়া সরকারি তহবিল থেকে ১ হাজার ১২৩ কোটি ৭৭ লাখ এবং সংস্থার তহবিল থেকে ১০ কোটি টাকা দেয়া হবে।
এদিকে ঢাকা শহরের গুলশান, বনানী, বারিধারা, বসুন্ধরা, মহাখালী, মহাখালী ডিওএইচএস, তেজগাঁও, মগবাজার, ইস্কাটন, নিকেতন, ধানমণ্ডি, কলাবাগান, আফতাবনগর, বাড্ডাসহ হাতিরঝিল ও এর পাশের এলাকার পয়ঃবর্জ্যে দূষিত হচ্ছে বালু নদীর পানি। সেই সঙ্গে বালু নদী দিয়ে রাজধানীর দূষিত পানি মিশে যাচ্ছে শীতলক্ষ্যা নদীতেও। এর ফলে সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার হুমকির মুখে পড়েছে। তাই বাধ্য হয়ে সরকার প্রকল্পটি হাতে নিয়েছে।
প্রকল্পে ৫০০ এমএলডি ক্ষমতা সম্পন্ন পয়ঃশোধনাগার নির্মাণ, একটি পয়ঃলিফটিং স্টেশন, প্রায় ১০ কিলোমিটার ট্রাংক স্যুয়ার লাইন নির্মাণ এবং অফিসের জন্য কয়েকটা গাড়ি কেনা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে ঢাকা ওয়াসা।
মঙ্গলবার অনুমোদিত বাকি পাঁচ প্রকল্প হচ্ছে-
রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকার দ্বিতীয় ব্লাকের ভূমি উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ প্রকল্প। এতে ব্যয় হবে ৪৬২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।
দ্বিতীয় প্রকল্প হচ্ছে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় সমন্বিত পানি সম্পদ পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনা। এতে ব্যয় হবে ৪৮২ কোটি ১০ লাখ টাকা।
তৃতীয় প্রকল্প- বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক (বালুখালি-ঘুনধুম) বর্ডার রোড। এতে ব্যয় হবে ৫৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।
চতুর্থ প্রকল্প বেগুনাবাড়ী খালসহ হাতিরঝিল এলাকার সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের চতুর্থ সংশোধনীর অনুমোদন করা হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ২৩৬ কোটি ২ লাখ টাকা।

