ঢাকাMonday , 24 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সারসো ও বিমসটেকের সঙ্গে হেডকোয়ার্টার্স চুক্তি অনুমোদন

Link Copied!

cavinetনিজস্ব প্রতিবেদক : আন্তর্জাতিক সংস্থা সাউথ এশিয়ান রিজনাল স্ট্যান্ডার্ড অর্গনাইজেশন (সারসো) এর সঙ্গে বাংলাদেশের হেডকোয়ার্টার্স চুক্তি অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটি অনুমোদন দেওয়া হয়। একই বৈঠকে আরেক আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘সেক্রেটারিয়েট অব দ্য বে অব বেঙ্গল ইনেশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেক্টরাল টেকনিক্যাল এন্ড ইকোনমিক কোপারেশন (বিমসটেক) এর সঙ্গে বাংলাদেশের হেডকোয়ার্টার্স চুক্তি অনুমোদন করা হয়েছে।
দুপুরে বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভুইঞা এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব দুটি আজকের কেবিনেটে উপস্থাপন করা হলে আলোচনার পর দুটি চুক্তিই অনুমোদন করা হয়।
সচিব বলেন, বাংলাদেশে যদি কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার অফিস করতে হয় তাহলে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে হয়। তার নাম হেডকোয়ার্টার্স এগ্রিমেন্ট। এটি শুধু বাংলাদেশের বেলায় নয়, অন্যদেশের বেলায়ও প্রযোজ্য। চুক্তিটি ছাড়া আন্তর্জাতিক সংস্থা কোনো দেশে কাজ করতে পারে না। চুক্তির আওতায় সংস্থা কুটনীতিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারে। কিছু দায় দায়িত্ব তাদের উপর বর্তায়।
মোশাররাফ ভুইঞা আরো বলেন, বাংলাদেশে দুটি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর স্থাপিত হয়েছে। একটি হলো আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সাউথ এশিয়ান রিজনাল স্টান্ডার্ড অর্গানাইজেশন (সারসো)। ২০০৮ সালে শ্রীলংকার কলম্বোতে পঞ্চদশ সার্ক সম্মেলন হয়েছিল, সেখানে বাংলাদেশে সারসো প্রতিষ্ঠার একটি চুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তিটি কার্যকর হয়েছে ২০১১ সালের ২৫ আগস্ট। ২০১৪ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটির কার্যক্রম শুরু হয়। এ সংস্থার প্রধান একজন বাংলাদেশি। প্রথম মহাপরিচালক হিসেবে ড. সৈয়দ হুমায়ুন কবির দায়িত্ব নিয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের মতামত নিয়ে হেডকোয়ার্টার্স এগ্রিমেন্ট অনুমোদনের জন্য নিয়ে আসে। আলোচনা শেষে মন্ত্রিসভা তা অনুমোদন দেয়।
সচিব বলেন, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচালনার ব্যাপারে যেসব রীতি নীতি রয়েছে তার আলোকেই এই চুক্তিটি করা হয়েছে। চুক্তিতে সারসোর সদরদপ্তর ও আর্কাইভের অলংঘনীয়তা এবং সম্পত্তি সুরক্ষার বিষয়ে বলা আছে। সারসোর মহাপরিচালক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সুযোগ সুবিধা, দায়মুক্তি সম্পর্কে বলা আছে। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে তারা কিভাবে যোগাযোগ করবে তাও বলা রয়েছে চুক্তিটিতে।
তিনি আরো বলেন, বিমসটেকের সঙ্গে বাংলাদেশের হেডকোয়ার্টার্স চুক্তিও আজকের মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে বিমসটেকের সদরদপ্তর রয়েছে। এর কাজও চলছে। তবে ভালভাবে কাজ করতে গেলে একটি চুক্তি করা দরকার। সে অনুযায়ী বিমসটেকের সঙ্গে বাংলাদেশের হেডকোয়ার্টার্স এগ্রিমেন্ট অনুমোদনের জন্য আজকের সভায় নিয়ে আসা হয়। মন্ত্রিসভা তা অনুমোদন দেয়।
তিনি বলেন, ২০১৪ সালের মার্চে মিয়ানমারে অনুষ্ঠিত হয় বিমসটেকের তৃতীয় শীর্ষ সম্মেলন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় সংস্থাটির স্থায়ী সদরদপ্তর হবে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। এ মর্মে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। জুন মাসে ঢাকায় বিমসটেকের স্থায়ী সচিবালয় স্থাপন করা হয়। সংস্থাটির মহাপরিচালক নিযুক্ত হয়েছিলেন শ্রীলঙ্কা থেকে। প্রথম ডিরেক্টর জেনারেল হবেন মিয়ানমার থেকে। বাংলাদেশ থেকেও একজন ডিরেক্টর থাকবেন।