অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ট্যানারি শিল্প স্থানান্তর ও শ্রমিকদের পুনর্বাসনসহ তাদের মৌলিক চাহিদাগুলোর বিষয়ে খেয়াল রাখতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছে ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন।
বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে বাংলাদেশ লেবার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (বিএলএফ) ও ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ।
তিনি বলেন, ‘দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৩ ভাগ আসে ট্যানারি শিল্প থেকে। অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা এবং সর্বাধিক কেমিক্যাল ব্যবহারকারী ট্যানারি কারখানা পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ শিল্প। কারখানায় ব্যবহৃত এসব কেমিক্যালের কারণে শ্রমিকরা ফুসফুস ক্যান্সার, নাক ও গলব্লাডার ক্যান্সারসহ বিভিন্ন মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারেন। ২০১১ সালে ট্যানারি শিল্পের শ্রমিকদের জন্য একটি ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।
‘দেশের তৃতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী চামড়া শিল্পে ২৫ হাজার শ্রমিক কর্মরত আছেন। তারা চাকরির নিশ্চয়তা না পেলে শিল্পনগরীর কারখানায় যেতে চাইবেন না। স্থানান্তরিত ট্যানারি কারখানায় শ্রমিকদের বাসস্থান, চিকিৎসার জন্য ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল, পরিবারের সদস্যদের লেখাপড়ার জন্য স্কুল ও নামাজ পড়ার জন্য মসজিদের ব্যবস্থা না থাকায় শ্রমিকরা নতুন কর্মক্ষেত্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। শ্রমবান্ধব পরিবেশ তৈরি হলে শ্রমিকরা নতুন ট্যানারি কারখানায় যোগ দিতে পারেন।
সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএলএফের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম খান, মহাসচিব জেড এম কামরুল এনাম, ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শেখ আকরাম প্রমুখ।

