স্পোর্টস ডেস্ক : শেষ ম্যাচে স্বান্তনার জয়। এই একটাই প্রাপ্তি বাংলাদেশ সফরে। এই প্রাপ্তি নিয়েই আজ দেশে ফিরে গেলেন ভারতীয় দল। সকাল ১০টা থেকে বিভিন্ন ফ্লাইটে নিজ নিজ শহরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন ধোনি অ্যান্ড কোং।
সকাল ১০টায় দিল্লির উদ্দেশ্যে ছাড়া প্রথম ফ্লাইটে করে চলে যান অধিনায়ক ধোনি, সহ অধিনায়ক বিরাট কোহলি, ওপেনার শিখর ধাওয়ান, পেসার মোহিত শর্মাসহ ৫জন ক্রিকেটার। ১১টার দিকে মুম্বাইর উদ্দেশ্যে ছাড়া অন্য একটি ফ্লাইটে করে ধাওয়াল কুলকার্নি, উমেষ যাদব, আম্বাতি রাইডু এবং আজিঙ্কা রাহানেসহ চলে যান ৭জন ক্রিকেটার। এছাড়া অন্য একটি ফ্লাটে গেলেন একজন কোচিং স্টাফসহ আরও তিনজন। শুধুমাত্র ফ্লাইট না পাওয়ায় ঢাকায় থেকে যেতে হলো রবিচন্দ্র অশ্বিনকে। এছাড়া রবিশাস্ত্রীসহ কোচিং স্টাফ এবং টিম ম্যানেজমেন্টের বাকিরা যাবেন আগামীকাল।
জুনের ৮ তারিখ প্রথম বিরাট কোহলির নেতৃত্বে বাংলাদেশে আসে ভারতের টেস্ট দল। ১০ জুন থেকে ফতুল্লাহর খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়ামে শুরু হয় সিরিজের একমাত্র টেস্ট ম্যাচ। কিন্তু প্রবল বৃষ্টির কারণে এই ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত সমাপ্তির মুখ দেখতে পারেনি।
১৮ জুন থেকে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হয় তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। তার দু’দিন আগেই অবশ্য মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে ওয়ানডে দলে থাকা ৮ ক্রিকেটার ঢাকায় এসে পৌঁছায়। মেলবোর্নে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের সঙ্গে ন্যাক্কারজনক সেই ঘটনার পর ভারতের বিপক্ষে এই ওয়ানডে ম্যাচ নিয়ে ছিল তুমুল উত্তেজনা।
সেই উত্তেজনার মধ্যেই মাঠে গড়ায় প্রথম ম্যাচ এবং ধোনিদের দর্পচূর্ণ করে দিয়ে বাংলাদেশ জয় তুলে নেয় ৭৯ রানের বিশাল ব্যবধানে। বাংলাদেশের জয়ের নায়ক তরুণ পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আরও প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামে ভারত। কিন্তু মুস্তাফিজের বলে বিভ্রান্ত হয়ে ২০০ রানেই অলআউট ভারত। বাংলাদেশ ম্যাচ জিতে যায় ৬ উইকেটের ব্যবধানে।
শেষ ওয়ানডেতে এসে টস জিতেও বাংলাদেশ ফিল্ডিং নেয়। ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের সামনে ৩১৮ রানের বিশাল লক্ষ্য বেধে দেয় ভারত। জবাবে বাংলাদেশ অলআউট হয়ে যায় ২৪০ রানে। ভারত জয় পায় ৭৭ রানের ব্যবধানে। শেষ ম্যাচ হেরে গেলেও বাংলাদেশ ঐতিহাসিক এই সিরিজটি জিতল ২-১ ব্যবধানে।

