নিজস্ব প্রতিবেদক : এফবিবিসিআই পরিচালনা পর্ষদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে (২০১৫-১৭) উন্নয়ন পরিষদের পূর্ণাঙ্গ প্যানেলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করলেন প্যানেল নেতা মাতলুব আহমাদ।
শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় এফবিসিসিআই ভবনে ভোট প্রদানকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এফবিবিসিআই পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
ভোট দিতে এসে মাতলুব বলেন, ‘উৎসব মুখর পরিবেশে ব্যবসায়ীদের এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কমিশনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আজ ব্যবসায়ীদের আনন্দের দিন।’
নির্বাচিত হলে ব্যবসায়ীদের জন্য সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নিয়ে আসার জন্য কাজ করবেন বলে জানান তিনি।
সব ব্যবসায়ীকে নিয়ে এক সঙ্গে কাজ করতে চান উল্লেখ করে মাতলুব বলেন, ‘মনোয়ারা হাকিম আলীর মত নারীরা যদি সাহসী ও উদ্যোগী হয়ে আমাদের পাশে থাকেন তাহলে আমরা ব্যবসায়ীরা আরও এগিয়ে যেতে পারবো।’
এর আগে চেম্বার গ্রুপের স্বাধীনতা ব্যবসায়ী পরিষদের প্যানেল নেতা মনোয়ারা হাকিম আলী বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উৎসবমুখর এই পরিবেশ ব্যবসায়ীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।’
ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের পরিচালক প্রার্থী ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ বলেন, ‘আজকের এই নির্বাচনে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। কেননা, ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ প্যানেল ঘোষণা না হলে আজ নির্বাচনের প্রয়োজন হতো না। সকাল থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা। আমরা জয়ের ব্যপারে আশাবাদি।’
এবারের নির্বাচনে তিনটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। প্যানেল তিনটি হলো- নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল মাতলুব আহমাদের নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন পরিষদ, বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলীর নেতৃত্বাধীন স্বাধীনতা ব্যবসায়ী পরিষদ এবং সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসাইন-ড. কাজী এরতেজা হাসান ও শাফকাত হায়দারের নেতৃত্বে ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ।
জানা গেছে, প্রতিটি প্যানেলে ‘চেম্বার গ্রুপ’ ও ‘এসোসিয়েশন গ্রুপ’ নামে ব্যবসায়ীদের দুটি অংশ থাকে। তবে এবারের নির্বাচনে শুধু উন্নয়ন পরিষদ প্যানেলে দুইটি গ্রুপ থাকলেও অন্য দুই প্যানেলে রয়েছে একটি করে গ্রুপ।
এদের মধ্যে স্বাধীনতা ব্যবসায়ী পরিষদ প্যানেলে রয়েছে শুধু ‘চেম্বার গ্রুপ’। আর ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ প্যানেলে রয়েছে ‘অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ’।
সূত্র আরো জানায়, এই দু’টি প্যানেল গোপনে একীভূত হয়ে কাজ করছে। আগামীতেও যৌথভাবে বোর্ড গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারা।

