ঢাকাFriday , 22 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাড়তে পারে করমুক্ত আয়সীমা

Link Copied!

budgetঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : আসন্ন ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণীসহ অন্যান্য সব ক্ষেত্রেই বাড়তে পারে করমুক্ত আয়সীমা। ইতোমধ্যে সাধারণ ব্যক্তি শ্রেণী, নারী, জ্যেষ্ঠ নাগরিক ও প্রতিবন্ধীসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
এরমধ্যে সাধারণ ব্যক্তি শ্রেণীর ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকার পরিবর্তে ৩ লাখ টাকা, প্রতিবন্ধীদের করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলে এনবিআরের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রটি জানায়, বর্তমানে বৃহৎ জনগোষ্ঠী তথা সাধারণ ব্যক্তি শ্রেণীর ২ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয়ের ক্ষেত্রে কোনো কর দিতে হয় না। আয় এ সীমার বেশি হলে বিভিন্ন স্তরের জন্য নির্ধারিত হারে কর দিতে হয়। তবে আগের চাইতে বর্তমান সময়ে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি হয়েছে ও সেই সঙ্গে জীবন যাত্রার ব্যয় বেড়েছে। তাই আগামী অর্থবছর সকল ব্যক্তি শ্রেণীর করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাবসহ কর ও শুল্ক সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। বৃহস্পতিবারের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতামত পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি অনুমোদন দিলেই ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ব্যক্তি শ্রেণীসহ অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা বাড়তে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আগের চাইতে বর্তমানে জীবনযাত্রার মান ও ব্যয় বৃদ্ধির পেয়েছে। তাছাড়া অনেক আগে থেকেই ব্যবসায়ীসহ সব পেশার মানুষই এ করসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব করে আসছিল। তাই এসব বিবেচনায় সাধারণ ব্যক্তি শ্রেণীর করমুক্ত আয়সীমাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এজন্য করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর জন্য এনবিআর একটি প্রস্তাবনাও তৈরি করেছে। তবে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্তু এই প্রস্তাবনা ও নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পর্কে বলা যাচ্ছে না।’
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘যে হারে প্রতি বছর মূল্যস্ফীতি বাড়ছে সেই তুলনায় করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি করা হয় না। তাই করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। এটা বাড়ালে বাজেটে কোনো প্রভাব পড়বে বলে আমার মনে হয় না।’
এনবিআর করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ৫০ টাকা করার প্রস্তাব দিলেও আজিজুল ইসলাম মনে করছেন, তা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা যুক্তিযুক্ত।
প্রসঙ্গত, অনেক আগে থেকেই এনবিআরের কাছে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর জোর দাবি জানিয়ে আসছিল বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন। এরমধ্যে দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর একটি প্রস্তাবও দেয়া হয়েছিল। ওই প্রস্তাবে সাধারণ ব্যক্তি শ্রেণীর ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, নারী কর দাতাদের ক্ষেত্রে ২ লাখ ৭৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ২৫ হাজার, প্রতিবন্ধী করদাতার ক্ষেত্রে ৩ লাখ ৫০ টাকা থেকে ৪ লাখ ও মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়েছিল সংগঠনটি।