নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সফলতার প্রশংসা করেছে বিশ্বব্যাংক। বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার ৬৮তম সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ প্রশংসা করেন বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র পরিচালক ড. তিমথি গ্র্যান্ট ইভান্স।
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক অর্থসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়েছে। আমিও জানিয়ে দিয়েছি, বাংলাদেশও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায় এবং বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেক্টরে বরাদ্দকৃত অর্থ বিনিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখা হয়।’
বৈঠকের আলোচনা সম্পর্কে নাসিম বলেন, ‘দেশব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে সরকারের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা আছে। একটি সুস্থ জাতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়েছে। এসব ক্লিনিকে রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধ দেয়া হচ্ছে। আর চালু করা হয়েছে ই-হেলথ ও টেলিমেডিসিন সেবা কার্যক্রম।’
এদিকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের প্রতিনিধিদের সম্মানে বৃহস্পতিবার মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। সেসময় সম্মেলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য ১১টি দেশের প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান তিনি। পাশাপাশি আগামী নভেম্বরে এইচআইভি-এইডস আক্রান্তদের নিয়ে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য আইক্যাপ’ সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং তা সফল করার জন্য ১১টি দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
এর আগে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে বিল এ- মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গেও বৈঠক করেন মোহাম্মদ নাসিম। বৈঠকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। এছাড়াও মাতৃ, নবজাতক ও শিশুস্বাস্থ্যের জন্য অংশীদারিত্ব’ এর প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন। প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক রবিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সঙ্গে সাক্ষাতে এ প্রশংসা করেন।

