ঢাকাSunday , 17 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিদায়টা সুখের হলো না জেরার্ডের

Link Copied!

Gerrerdস্পোর্টস ডেস্ক : কত স্মৃতি, কত আনন্দ, দুঃখ-বেদনা জড়িয়ে আছে অ্যানফিল্ডের সবুজ গালিচায়। আজ থেকে সেগুলো শুধুই অতীত। নিকট অতীত থেকে ধীরে ধীরে হয়ে যাবে দুরের অতীত। হয়তো ইতিহাসের পাতদায় লেখা হবে, লিভারপুলের কিংবদন্তী। তাতেও তো আর বুট পায়ে অ্যানফিল্ডের সবুজ গালিচা দাপিয়ে বেড়ানো হবে না তার! শেষ ম্যাচটি যে স্টিভেন জেরার্ড অ্যানফিল্ডে খেলে ফেলেছেন শনিবার রাতেই!
গত ১৭টি বছর ধরে এই মাঠের আলো-বাতাস-হাওয়ায় ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছেন। উঠেছেন ক্যারিয়ারের স্বর্নশিখরে। শনিবার রাতে তাই অ্যানফিল্ডে ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে ম্যাচটি হয়ে উঠেছিল শুধুই জেরার্ডময়।
গ্যালারিতে উপস্থিত প্রায় ৪৫ হাজার দর্শক এসেছিলেন শুধু লিভারপুল অধিনায়ককে ঘরের মাঠে শেষ বিদায় জানাতে। কিন্তু; নিয়তির কী পরিহাস! এমন আবেগময় ম্যাচটিতেও কি না বেরসিক ক্রিস্টাল প্যালেস! লিভারপুলকে তারা হারিয়ে দিয়েছে ৩-১ গোলের ব্যবধানে!
অ্যানফিল্ডে লিভারপুলের জার্সি গায়ে শেষ ম্যাচে নেমেছিলেন স্টিভেন জেরার্ড। বিদায়ী ম্যাচের ফলাফলটা সুখকর না হলেও সমর্থকদের ভালোবাসায় আপ্লুত সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক। জেরার্ডের বিদায়ী ম্যাচে হার বলে হতাশা নয়, একই সঙ্গে ক্রিসটাল প্যালেসের কাছে হেরে আগামী মওসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার স্বপ্নভঙ্গ হল লিভারপুলের।৷
খেলা শেষে রেফারির বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়িয়ে টানেলের দিকে এগিয়ে যান অধিনায়ক। সেই সময় ‘গার্ড অফ অনার’ দিয়ে তাঁকে সম্মান জানান সতীর্থরা। বিশেষ সম্মান দিতে আবার সতীর্থরা সকলেই জেরার্ড লেখা ৮ নম্বর জার্সি গায়ে চাপিয়েছিলেন। অ্যানফিল্ডের গ্যালারি জুড়ে তখন ভক্তদের হাতহালির কলরব।
মেয়েকে কোলে নিয়ে ভক্তদের ধন্যবাদ জানান জেরার্ড। সমর্থকদের আবেগ ও উচ্ছ্বাসে আপ্লুত। দীর্ঘ ১৭ বছরের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে লিভারপুলকে চিরতরে ‘গুডবাই’ জানালেন অলরেডস অধিনায়ক। বিদায়ী ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন তার কোচ জেরার্ড হাউলিয়র। ক্লাবের পক্ষ থেকে তার হাতে তুলে দেওয়া হয় কিছু উপহারও। লিভারপুলের জার্সি গায়ে দলকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, উয়েফা কাপ, দু’টি এফএ কাপ ও তিনটি লিগ কাপ ট্রফি এনে দিয়েছেন জেরার্ড। ১৯৯৮ সালে এই ক্লাবে অভিষেক ঘটেছিল তার।
এদিন পুরো ৯০ মিনিট মাঠে ছিলেন তিনি। লালানার গোলে ২৬ মিনিটে এগিয়ে যায় রেডস। ৪৩ মিনিটে প্যালেসের হয়ে গোল শোধ পুনচিওনের। দ্বিতীয়ার্ধে একেবারেই ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি রজার্সের ছেলেরা। প্যালেসের হয়ে বাকি দু’টি গোল উইলফ্রেড জাহা (৬০ মিনিটে) ও গ্লেন মারে (৯০+১।
ম্যাচের পর আবেগ তাড়িত জেরার্ড বলেন, ‘দিনটা স্মরণীয় হয়ে রইল। পিছনে ফিরে ১৭ বছরের সফরটা মনে পড়লে ভালো লাগে। অ্যানফিন্ডে কাটানো দিনগুলো কখনওই ভুলব না।’ ৩৪ বর্ষীয় অধিনায়কের পরিবর্ত খুঁজতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হবে কোচ ব্রেন্ডন রজার্সকে। আগামী মওসুমে লা গ্যালাক্সির হয়ে খেলবেন জেরার্ড। তার আগে লিভারপুলের হয়ে শেষবার স্টোকসিটির বিরুদ্ধে মাঠে নামার কথা তার।