ঢাকাFriday , 8 May 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সঙ্গীর অভাবে সেঞ্চুরি হলো না সাকিবের

Link Copied!

sakibস্পোর্টস ডেস্ক : ব্যাটিং ব্যার্থতার ওপর দাঁড়িয়ে হাফ সেঞ্চুরি করলেন সাকিব আল হাসান। এরপর সেঞ্চুরির দিকেও তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছিলেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। কিন্তু, দুর্ভাগ্য তার, সঙ্গীর অভাবে সেঞ্চুরিটার নাগাল পেলেন না সাকিব। ২০৩ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। ৮৯ রানে অপরাজিত থাকেন সাকিব।
তার ওপরই এখন নির্ভর করছিল বাংলাদেশের ভাগ্য। সেই দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে একা লড়াইও করে যাচ্ছিলেন তিনি। ইয়াসির শাহকে বাউন্ডারি মেরে ক্যারিয়ারে ১৯তম হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন সাকিব।
দ্বিতীয় দিন বিকালে যখন উইকেট পতনের মিছিল চলছিল, তখন ১৪ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন সাকিব আল হাসান। আজ সকালেও যখন সৌম্য সরকার, শুভাগত হোমরা উইকেট বিসর্জণ দিয়ে আসছিলেন, তখন একপাশ আগলে রেখে লড়াই করে যাচ্ছিলেন সাকিব আল হাসান।
এমনিতেই শাহাদাত হোসেন রাজিবের ইনজুরির কারণে একজন ব্যাটসম্যান কম। তাইজুল ইসলাম এসে একটা ভালো জুটি গড়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু বেশি সাহস দেখাতে গিয়ে আউট হলেন তাইজুল। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নামেন মোহাম্মদ শহিদ।
সুতরাং, নিরুপায় হয়ে মারমুখি হতে হয় সাকিব আল হাসানকে। কারণ, মোহাম্মদ শহিদ যে কোন সময় আউট হয়ে যেতে পারেন। ফলে, যত বেশি রান বাড়িয়ে নেওয়া যায়- ততই লাভ। একই সঙ্গে হাফ সেঞ্চুরিও পূরণ করে ফেলেন সাকিব।
৪২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ইয়াসির শাহকে বাউন্ডারি, তৃতীয় বলেও মারলেন বাউন্ডারি। তাতেই হাফ সেঞ্চুরি পূরণ হয়ে গেলো সাকিবের। এরপরের বলেই মারলেন ছক্কা।
পরের ওভারে ওয়াহাব রিয়াজকে চতুর্থ, পঞ্চম এবং ষষ্ঠা- এই তিন বলেই টানা বাউন্ডারি মারেন সাকিব। শুধু তাই নয়, দলীয় স্কোর বাড়াতে বাউন্ডারির ওপরই নির্ভর করছেন সাকিব। কোন সিঙ্গেল রান নিচ্ছেন না। যত বেশি সম্ভব স্ট্রাইক নিচ্ছেন তিনি একাই।
ওয়াহাব রিয়াজকে পরের ওভারেও পরপর তিনবার বাউন্ডারিছাড়া করেন তিনি। তবে ৪৮তম ওভারের তৃতীয় বলে ইয়াসির শাহের ইনসুইঙ্গার রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেললেও সিলি পয়েন্টে দাঁড়ানো আজহার আলির হাতে ক্যাচ তুলে দেন। উইকেট আর না থাকায় ১১ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় সাকিবকে। ৯১ বলে ১৪ বাউন্ডারি এবং ২ ছক্কায় ৮৯ রানে অপরাজিত থাকেন সাকিব।