স্পোর্টস ডেস্ক : হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্যে মরিয়া পাকিস্তান। শেষ ম্যাচের জন্য তাই তিনটি পরিবর্তন আনা হয়েছে পাকিস্তানের একাদশে। রাহাত আলির পরিবর্তে প্রত্যাশিতভাবেই দলে ফেরানো হয়েছে পেসার উমর গুলকে। শুধু তাই নয়, সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো ওপেনার এবং উইকেটরক্ষক সরফরাজ আহমেদকে বাদ দেওয়া হলো এই ম্যাচ থেকে।
এছাড়া বাদ পড়েছেন প্রথম দুই ম্যাচে বাজে বোলিং করা সাঈদ আজমলও। তার পরিবর্তে নেওয়া হয়েছে বাঁহাতি স্লো অর্থোডক্স জুলফিকার বাবরকে। অভিষেক করানো হলো পাকিস্তান অনুর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক সামি আসলামকে। সরফরাজ আহমেদের পরিবর্তে আজহার আলির সঙ্গে ইনিংস ওপেন করেছেন তিনি।
বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হয়ে একমাত্র সেঞ্চুরিয়ান ছিলেন সরফরাজ আহমেদ। এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে অপরাজিত ছিলেন ১০১ রানে। কিন্তু এরপর থেকেই আবার অফ ফর্মে এই ওপেনার। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে করেন মাত্র ১০ রান। এরপর বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে করেন ২৪ এবং দ্বিতীয় ওয়ানডেতে করেন মাত্র ৭ রান। সুরতাং, সরফরাজ আহমেদের বিকল্প চিন্তা করতেই হলো পাকিস্তানকে।
অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগে আট নিষিদ্ধ থাকার পর বাংলাদেশ সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরলেন সাঈদ আজমল। কিন্তু অ্যাকশন বদলে যেন পুরোপুরি নির্বিষ হয়ে গেলেন পাকিস্তানের এই স্পিনার। প্রথম ম্যাচে ৭৪ রান দিয়ে ছিলেন উইকেট শূণ্য। দ্বিতীয় ম্যাচে এসে দিলেন ৪৯ রান। উইকেট নিয়েছেন একটি। সুতরাং, সাঈদ আজমলের পরিবর্তে বাম হাতি স্লো অর্থোডক্স জুলফিকার বাবরকেই নেওয়া যুক্তিযুক্ত মনে করলো পাকিস্তান টিম ম্যানেজমেন্ট।
ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপে খেলতে পারেননি পেসার উমর গুল। বাংলাদেশ সিরিজেও শুধু রাখা হয়েছে টি২০ দলে। কিন্তু ওয়ানডে দলে থাকা পেসার এহসান আদিলের ইনজুরির কারণে ওডিআইতে সুযোগ পেয়ে গেলেন গুল। শুধু তাই নয়, প্রথম দুই ওয়ানডেতে বাজে বোলিং করা রাহাত আলির পরিবর্তে শেষ ম্যাচে এসে সুযোগ দেওয়া হলো গুলকে। প্রথম দুই ম্যাচে রাহাত আলি রান দিয়েছেন ৫৬ এবং ৫৭ করে। উইকেট নিয়েছেন ১টি করে মোট দুটি।
অপরদিকে বাংলাদেশ দল রয়েছে অপরিবর্তিত। উইনিং কম্বিনেশনে কোনই পরিবর্তণ আনা হয়নি। এমনকি অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা রনি তালুকদারকেও নেওয়া হলো না এই ম্যাচে।
বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন, মাশরাফি বিন মর্তুজা, আরাফাত সানি, তাসকিন আহমেদ, রুবেল হোসেন।
পাকিস্তান একাদশ: আজহার আলি, সামি আসলাম, মোহাম্মদ হাফিজ, হারিস সোহেল. ফওয়াদ আলম, মোহাম্মদ রিজওয়ান, সাদ নাসিম, ওয়াহাব রিয়াজ, জুনায়েদ খান, উমর গুল, জুলফিকার বাবর।

