ঢাকাWednesday , 22 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নতুন মাইলফলকে সাকিব

Link Copied!

Sakib-Al-hasanস্পোর্টস ডেস্ক : আগের ম্যাচেই ১৫০তম ওয়ানডে’র মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। তাকে ছুঁতে খুব বেশি দেরি করতে হলো না বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকেও। পরের ম্যাচেই, অথ্যাৎ পাকিস্তানের বিপক্ষে আজ সিরিজের তৃতীয় ম্যাচেই ১৫০তম ম্যাচের মাইলফলকে পৌঁছে গেলেন সাকিব।এ নিয়ে চতুর্থ বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে দেড়শ’ ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করলেন সাকিব। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১৭৫টি ম্যাচ খেলেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। এরপর ১৫৩ ম্যাচ খেলে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্পিনার আবদুর রাজ্জাক। মাশরাফি খেলছেন ১৫১তম ম্যাচ।
২০০৬ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শুরু সাকিব আল হাসানের। প্রথম প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি এই অলরাউন্ডারকে। ওয়ানডে ক্রিকেটে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার খেতাব জয়ের পর জিতলেন টেস্ট এবং টি২০ বিশ্বসেরার অলরান্ডারের মুকুটও। তিনিই একমাত্র ক্রিকেটার, যিনি এক সঙ্গে তিন ফরম্যাটেই অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে ওঠেন। দিয়েছেন বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব। তার অধিনায়কত্বেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টেস্ট সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম চার হাজার রান করেন সাকিব।
ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটের প্রতি নেশা। খেলতেন গ্রামেই টেপ টেনিস বলে। তেমনই একটি ম্যাচ খেলতে গিয়ে আম্পায়ারের দৃষ্টি পড়ে তার ওপর। সেই আম্পায়ার সাকিবকে নিয়ে আসেন মাগুরা জেলা শহরের ইসলাম পুর পাড়া ক্লাবে।
সেখানে ট্রায়াল দিতে গিয়ে প্রথমে পেস বোলিং করছিলেন সাকিব। কিন্তু কোচ তাকে বললেন স্পিন বল করে দেখতে। পরে দেখা গেলো পেচের চেয়ে স্পিনই ভালো করতে পারছেন সাকিব এবং সেটা বেশ উপকারিও। এরপরই সুযোগ পেয়ে গেলেন ইসলাম পুর পাড়া ক্লাবের হয়ে খেলার।
ক্রিকেটের ডিউজ বলে প্রথম খেলেন ওই ক্লাবের হয়েই এবং জীবনের প্রথম বলেই উইকেট তুলে নেন। ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরে যায় তখনই। মাগুরা থেকেই সুযোগ পান বিকেএসপিতে ট্রেনিং নেওয়ার। এরপর ২০০৫ সালে খেলার সুযোগ পান অনুর্ধ্ব-১৯ দলে। সেবার ইংল্যান্ড এবং শ্রীলংকার বিপক্ষে ত্রি-দেশীয় সিরিজের একটি ম্যাচে ৮৬ বলে সেঞ্চুরিছাড়াও তুলে নেন ৩ উইকেট। যা দলকে এনে দেয় গুরুত্বপূর্ণ এক জয়।
২০০৫ থেকে ২০০৬ সালে অনুর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে ১৮টি ওয়ানডে খেলে ৩৫.১৮ গড়ে করেন ৫৬৩ রান। উইকেট নেন ২২টি। এরপরই ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ে সফরে মুশফিকুর রহিম এবং ফরহাদ রেজার সঙ্গে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে যান সাকিব।
সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে সুযোগ পান সাকিব। ২০০৬ সালের ৬ আগস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডেতে ৩৯ রানে নেন ১ উইকেট। এল্টন চিগুম্বুরাকে আউট করে বোলিং ক্যারিয়ার শুরু। এরপর ব্যাট হাতে অপরাজিত ছিলেন ৩০ রানে। ওই ম্যাচে শাহরিয়ার নাফীস ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন। ম্যাচটিতে বাংলাদেশ জয় পায় ৮ উইকেটে।
টেস্ট অভিষেক ২০০৭ সালে ভারতের বিপক্ষে ঢাকায়। ওই ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ পান মাত্র এক ইনিংসে। রান করেন ২৭। কোন উইকেট পাননি। টেস্ট শেষ পর্যন্ত ড্র হয়ে যায়। ক্যারিয়ারে ৩৭ টেস্টে ২ হাজার ৫২৯ রান করেছেন ৩৮.৩১ গড়ে। সেঞ্চুরি ৩টি, হাফ সেঞ্চুরি ১৭টি। উইকেট নিয়েছেন ১৪০টি। এক ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন ১৪ বার। সেরা বোলিং ৩৬ রানে ৭ উইকেট।
ওয়ানডে খেলেছেন ১৪৫টি। রান করেছেন ৪ হাজার ১৬২। বাংলাদেশের হয়ে প্রথম চার হাজার রান করেছেন সাকিব আল হাসান। গড় ৩৪.৯২ করে। সেঞ্চুরি ৬টি, হাফ সেঞ্চুরি ২৮টি। সর্বোচ্চ অপরাজিত ১৩৪। উইকেট নিয়েছেন ১৮৯টি। সেরা বোলিং ১৬ রানে ৪ উইকেট।