ঢাকাTuesday , 21 April 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিরিজ হেরে ‘স্তব্ধ’ পাকিস্তান শিবির

Link Copied!

tamimস্পোর্টস ডেস্ক : লজ্জা থেকে মুখ লুকানোর শেষ সুযোগ পাকিস্তানিদের। পরপর দুই ম্যাচ হেরে আগেই ওয়ানডে সিরিজ খুইয়েছে অতিথি দল। এবার হোইয়াটওয়াশের হাতছানি। বুধবার সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে খেলতে নামবে তারা।
তাইতো বাংলাদেশ দল সোমবার বিকালে মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে  ৫/৬ জন ঐচ্ছিক অনুশীলন করেছে। আর সেখানে সকাল ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত কঠোর অনুশীলন করেছে ওয়াকার ইউনুসের শিষ্যরা।
মাশরাফি বাহিনীর কাছে ওয়ানডে সিরিজ খোয়ানোয় যেন ভাষা হারিয়ে ফেলেছে পাকিস্তান শিবির। সোমবারের অনুশীলন শেষে কোনোরকম সৌজন্যমূলক কথাও বলেনি অতিথি দলের কোনো সদস্য।  যেন মুখে কুলুপ এঁটেছে তারা।
বিশেষ করে সফরকরী দলের ক্রিকেটারদের বিশ্বাসই করতে কষ্ট হচ্ছে যে, তারা বাংলাদেশের কাছে সিরিজ খোয়াবে। কারণ যে দলটির বিপক্ষে ১৬ বছর ধরে অপরাজেয় থাকার রেকর্ডটি তারা অক্ষুণ্ণ রেখেছিল। আর সেটি কিনা মাত্র দু’দিনের মধ্যেই বিলিন হয়ে যাবে।
প্রথম ম্যাচে হারলেও পাকিস্তান দলের সদস্যেদের বিশ্বাস ছিল তারা এতো সহজে সিরিজ হাতছাড়া করবে না। কিন্তু সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচে সব বিভাগেই বাংলাদেশের কাছে পর্যদস্তু হয়েছে অতিথি দলটি। তাই শেষটিতে আর বড় লজ্জা পেতে চায় না সফরকারীরা।
সোমবার সকাল ১১টার কিছুটা আগেই মিরপুর শের-ই বাংলায় এসে পৌঁছালেন আজহার আলী-মোহাম্মাদ হাফিজরা। প্রথমে তারা সেরে নিলেন স্ট্রেচিং। এরপর পাকিস্তানের প্রধান কোচ ওয়াকার ইউনুস বোলারদেকে একটু ঝালিয়ে নেয়ার জন্য ওমর গুল, ওয়াহাব বিয়াজ ও রাহাত আলীদের হাতে বল তুলে দিলেন। তাদের দুরন্ত গতির পেস বোলিংয়ের সামনে সমানে পাল্লা দিয়ে ব্যাট করলেন মোহাম্মাদ রিজওয়ান, হারিস সোহেল ও আজহার আলীরা।
মাঝে-মধ্যে ব্যাটিংয়ের  ছোট-খাটো সমস্যা গুলো হাতে-কলমে দেখিয়ে দেন পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ গ্রান্ট ফ্লাওয়ার।
এরপর অতিথি দলের ক্রিকেটারদের চারটি ভাগে ভাগ  করে চলল  লো এবং হাই ক্যাচিং প্র্যাকটিস। পরে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে কিছুটা আগ্রহ দেখালেও শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের কোচ আর কথা বলতে রাজি হননি। এমনকি কোনো সদস্যকেও কথা বলতে দিলেন না।
আসলে এবারকার সফরে পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা সিডিউলের বাইরে কোনো কিছুই করতে চাচ্ছেন না। যেহেতু অতিথি দলের সোমবারের সিডিউলে প্র্যাকটিস ছাড়া কোনো মিডিয়া কার্যক্রম ছিল না, তাই কথা বলতেও রাজি হয়নি সফরকারীরা। পরে বিকাল পৌনে তিনটার দিকে মিরপুর  স্টেডিয়াম থেকে সোজা হোটেলের উদ্দেশ্যে বাসে ওঠেন অতিথি দলের ক্রিকেটাররা।
মিসবাহ-উল-হক ওয়ানডে  থেকে অবসর  নেওয়ার পর এ ফরম্যাটে  ফেরেন  এবং  নেতৃত্ব পান আজহার আলী। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ সফরে বাজে ক্রিকেট  খেলছে পাকিস্তন। তাই বুধবারের  শেষ ম্যাচে সতীর্থদের ব্যাটিং- বোলিং-ফিল্ডিংয়ে উন্নতির আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।
রোববার দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বড় ব্যাবধানে হারের পর সংবাদ সম্মেলেন আজহার বলেন, ‘এই হারের দায় আমাদের সবাইকেই নিতে হবে। আমরা কখনোই একজনকে  দায়ী করতে পারি না। প্রতিটি বিভাগেই আমাদের সীমাবদ্ধতা আছে। বিশেষ করে  বোলিং ও ব্যাটিংয়ে পারফরম্যান্স প্রত্যাশার ধারে-কাছেও হয়নি আমাদের। এটা থেকে অবশ্যই আমাদের উত্তরণ ঘটাতে হবে।’