ঢাকাTuesday , 3 November 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শ্রীপুরে অপহরণের ১০ ঘণ্টা পর উদ্ধার ওষুধ কোম্পানির কর্মকর্তা, গ্রেপ্তার ৩

অপরাধ ডেস্ক
November 3, 2026 10:30 pm
Link Copied!

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেডের এক কর্মকর্তাকে অপহরণের প্রায় ১০ ঘণ্টা পর অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। এই চাঞ্চল্যকর অপহরণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে অপরাধমূলক কার্যক্রমে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্প্রতি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বা এসআরবি-১-এর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সফল অভিযানের বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত রোববার সকালে ঢাকার নিজ কার্যালয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মাওনা চৌরাস্তায় এসেছিলেন ওই কর্মকর্তা আরিফ হোসেন। পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থাকা একটি অপহরণকারী চক্র তাকে জোরপূর্বক একটি প্রাইভেট কারে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এরপর ওই দিন সকাল সাড়ে আটটার দিকে চক্রের সদস্যরা আরিফের পরিবারের কাছে মুঠোফোনে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করে। পরিবারের সদস্যরা চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দ্রুত শ্রীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করেন এবং পরবর্তীতে এসআরবি-১ কার্যালয়ে গিয়ে সহায়তা চান।

পরিবারের অভিযোগ পাওয়ার পর এসআরবি-১-এর একটি বিশেষ দল দ্রুত গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে এবং প্রযুক্তির সহায়তায় অপহৃতের অবস্থান শনাক্ত করে। উদ্ধার অভিযানের অংশ হিসেবে ওই দিন বিকেলে রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসের পেপসি এমপি চেকপোস্টের সামনে থেকে জিম্মি অবস্থা থেকে আরিফ হোসেনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। এই সাঁড়াশি অভিযানে চক্রের তিন সক্রিয় সদস্য মো. জাকির হোসেন, হামিদুল ও রাজীব কাজীকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

উদ্ধার অভিযানের পর আটক ব্যক্তিদের শ্রীপুর থানায় হস্তান্তর করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের ইতোমধ্যে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং পুরো ঘটনাটি আরও গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।