রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে দাখিল করা ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম এ ঘোষণা দেন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়। যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর ছয় প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বৈধ প্রার্থীরা হলেন—১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. দেলাওয়ার হোসেন, বিএনপির প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী খাদেমুল ইসলাম, খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী আব্দুল আলীম নিজামী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক। মির্জা ফয়সাল আমিন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, পাঁচটি রাজনৈতিক দলের ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন এবং ছয়জনই তা জমা দিয়েছেন। তফশিল অনুযায়ী মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী, রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা থাকবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী, আগামী ৭ অক্টোবর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ৮ অক্টোবর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি ঠাকুরগাঁও সদর, নবগঠিত রুহিয়া ও ভূল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. দেলাওয়ার হোসেনকে পরাজিত করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করে।

