ঢাকাSaturday , 12 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভালুকায় ব্যাংকে বন্ধক রাখা জমি বিক্রির অভিযোগ

Link Copied!

ময়মনসিংহের ভালুকায় ব্যাংকে বন্ধক রাখা ২৩ শতাংশ জমি তথ্য গোপন করে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ২০১৮-১৯ সালে জমিটি ৫জন কিনে সেখানে কয়েকটি পরিবার বসতবাড়ি নির্মাণ করে প্রায় আট বছর ধরে বসবাস করছে। তাঁদের মধ্যে দুজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। সম্প্রতি ব্যাংক থেকে জমি খালি করার চিঠি পাওয়ার পর বন্ধক থাকার বিষয়টি জানতে পারেন ক্রেতারা। এ ঘটনায় তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী মো. সবুজ মিয়া। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভালুকা উপজেলার ভান্ডাব মৌজার আরএস ১৬২ ও ২৮৭ নম্বর খতিয়ানের বিএস ৩৩৪ ও ৩৩২ নম্বর দাগের মোট ২৩ শতাংশ জমি ২০১৮-১৯ সালে একই এলাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে পাঁচজন মিলে কেনেন। জমি কেনার পর ক্রেতাদের কয়েকটি পরিবার সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ওই জমিতে বসবাস করে আসছেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, জমি কেনার সময় সেটি ব্যাংকের কাছে বন্ধক রাখা ছিল-এ তথ্য তাদের জানানো হয়নি। সম্প্রতি বাংলাদেশ অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, ভালুকা শাখা থেকে জমি খালি করার জন্য চিঠি পাওয়ার পর তারা বিষয়টি জানতে পারেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, জমিটির আগের মালিক তাঁর মালিকানাধীন ‘মেসার্স সজিব ট্রেডার্স’-এর নামে অগ্রণী ব্যাংকের ভালুকা শাখা থেকে ২০ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ওই ঋণের বিপরীতে তফসিলভুক্ত জমিটি ব্যাংকের কাছে বন্ধক রাখা হয়। যথাসময়ে কিস্তি পরিশোধ না করায় বর্তমানে ব্যাংকের পাওনা ১৭ লাখ ৫২ হাজার টাকা হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী মো. সবুজ মিয়া লিখিত আবেদনে বলেন, তারা ক্রয়সূত্রে জমির মালিক হয়ে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাস করছেন। কিন্তু ব্যাংকের চিঠি পাওয়ার পর জমিটি বন্ধক থাকার বিষয়টি জানতে পারেন। এ অবস্থায় বিষয়টি তদন্ত করে তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন তিনি। অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ছেলে সজিব মিয়া বলেন, তার বাবা বড় ব্যবসা করতেন। ব্যবসায় লোকসান হওয়ার পর প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি কোথায় আছেন, তা পরিবারের সদস্যরা জানেন না। সজিব মিয়া বলেন, তাঁর বাবা জমিটি সবুজসহ অন্যদের কাছে বিক্রি করেছেন-এটি সত্য। তবে ব্যাংকে জমি বন্ধক রাখার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তিনি বলেন, ব্যাংকের টাকা পরিশোধের চেষ্টা তারা করেছেন। কিন্তু বর্তমানে তাঁদের সেই সামর্থ্য নেই। এ অবস্থায় সরকারের কাছে ব্যাংকের ঋণ মওকুফের দাবি জানান তিনি। অভিযোগের বিষয়ে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে বিস্তারিত বলা যাবে।