ঢাকাThursday , 4 June 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সুন্দরবনে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ করিম শরীফ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য আটক

Link Copied!

সুন্দরবনে পরিচালিত ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’-এর আওতায় অস্ত্র, গোলাবারুদ, ডাকাতি ও বন্যপ্রাণী শিকারের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ কুখ্যাত করিম শরীফ বাহিনীর এক সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের নির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় বনদস্যু বাহিনী নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩ জুন বিকেলে কোস্ট গার্ড বেইস মোংলার একটি বিশেষ আভিযানিক দল বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবনের আমুরবুনিয়া ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন ড্রেনের খাল এলাকায় অভিযান চালায়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ধাওয়া করে করিম শরীফ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য আল-আমিন বাচ্চু হাওলাদার (৪৫)কে আটক করা হয়। তিনি বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
অভিযানে ৪টি একনলা বন্দুক, ২০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৭৪ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ৭ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি, একটি টেলিস্কোপ, একটি সোলার প্যানেল, একটি ব্যাটারি, একটি ওয়াকিটকি চার্জার, শিংসহ একটি হরিণের মাথা, ৩ কার্টন সিগারেট, ২ বস্তা চাল এবং একটি কাঠের বোট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে করিম শরীফ বাহিনীর ব্যবহৃত একটি আস্তানা ধ্বংস করা হয়।
পরে আটককৃতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওইদিন রাত ১০টার দিকে কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা ও পুলিশের সমন্বয়ে মোরেলগঞ্জ থানার পি.সি. বাড়ইখালি এলাকায় তার বাড়িতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ডাকাতি ও বন্যপ্রাণী শিকারের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, আল-আমিন বাচ্চু হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে করিম শরীফ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে সুন্দরবন এলাকায় ডাকাতি, জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য আলামতসহ আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোস্ট গার্ডের চলমান দস্যু দমন অভিযানের কারণে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ও অসাধু চক্র বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এবং অপরাধ দমন কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এসব অপপ্রচার উপেক্ষা করে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে কোস্ট গার্ডের নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।