ঢাকাSunday , 24 May 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সরিষাবাড়ীতে ভিজিএফ চাল বিতরণে কম দেয়ায় অভিযোগ

Link Copied!

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দুঃস্থ ও অতিদরিদ্রদের জন্য ভিজিএফ কর্মসূচীতে চাল বিতরণে কম দেয়ায় অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সকালে উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নে গিয়ে এ অভিযোগ পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় দরিদ্রদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় ঈদ উপলক্ষ্যে ৩৭ হাজার ৬০৭ জন উপকারভোগীর জন্য ৩৭৬.০৭ মেঃটন চাল বরাদ্ধ দেয়া হয়। রোববার সকাল থেকে উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নে উপকারভোগীদের চাল বিতরণ শুরু হয়। এ ইউনিয়নে ৫ হাজার ১৮৯ জন উপকারভোগীকে জন প্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করার কথা থাকলেও প্রতি জনকে ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যেককে ১০ কেজি চালের জায়গায় ১ থেকে দেড় কেজি চাল ওজনে কম দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও সকাল সাড়ে ১১টায় ইউনিয়ন পরিষদে বিতরণ লাইনে দুঃস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারের কার্ডধারীদের তেমন উপস্থিতি দেখা যায়নি। রৌহা গ্রামের মজিবর রহমান অভিযোগ করে বলেন, আমার ও আমার ভাইয়ের ৩টি কার্ড ছিলো। যেখানে ৩ কার্ডে ৩০ কেজি চাল দেয়ার কথা থাকলেও আমাকে ২৬ কেজি চাল দেয়া হয়েছে। আমি বাহিরে এসে ওজন দিলে কম দেয়ার বিষয়টি দেখে তাদের জানালে তারা বলেন যা পাবেন সেটাই দেয়া হয়েছে। নিলে নেন না নিলে চলে যান। ছাতারিয়া গ্রামের আছিয়া বেগম, চর সরিষাবাড়ীর আম্বিয়া বেগম বলেন, আমাদের বাড়ীর কয়েকজনের কার্ড নিয়ে এসেছি। ৬টি কার্ডে ১০ কেজি করে চাল দেয়ার কথা থাকলেও ৬০ কেজির জায়গায় চাল দিয়েছে ৫৪ কেজি। কাকে এসব বলবো। কেও শুনে না এসব কথা। এদিকে উপজেলার আওনা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায়, লাইনে লোক দাড়িয়ে থাকলেও ধীর গতিতে চলছে চাল বিতরণ। ইউনিয়ন পরিষদের ভেতরেই চলছে চাল ও কার্ড কেনাবেচার কাজ। যেন দেখার কেও নেই। এছাড়াও দেখা যায় ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান মিনারা বেগম অফিস কক্ষে বসে কার্ড না পেয়ে আসা অসহায় মানুষদের সাথে খারাপ আচরন করে রুম থেকে বের করে দিচ্ছে। এ সময় তিনি উচ্চস্বরে বলেন স্লিপ (উপকার ভোগীর কার্ড) নেতাদের থেকে কিনে এনে আপনাদের দিবো নাকি। এ সময় সাংবাদিকেরা এসব কার্ড বাহিরে কিনতে পাওয়া যায় কিনা এমন প্রশ্ন করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। এ ইউনিয়নে মোট ৪ হাজার ৫০৫ জন উপকারভোগীর মাঝে চাল বিতরণ করার কথা। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শওকত জামিল বলেন, এ বিষয়ে আমাকে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। এমন অনিয়মের অভিযোগ পেলে দ্রুতই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আফসানা বলেন, বিষয়টি অতি গুরুত্বের সাথে দেখে আমরা অসহায় অতিদরিদ্রদের মধ্যে সঠিক মাপে চাল বিতরণের ব্যবস্থা নিব।