ঢাকাSaturday , 25 April 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজস্ব লুটের মহোৎসব সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে

Link Copied!

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের টেকনিশিয়ান সাজেদুলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। সূত্র জানায়, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিব) নেতৃবৃন্দের তদ্বিরে তিনি সোনার হরিণ নামক চাকুরিটি বাগিয়ে নিতে সক্ষম হন ২০২৩ সালে। তিনি ২০২৩ সালের ৩ অক্টোবর প্রথম চাকরিতে যোগদান করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে তৃতীয় শ্রেণির একজন কর্মচারি হিসেবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল হাসপাতালে পদায়ন করা হয়। হাসপাতালে যোগদানের পরই নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সাবেক পরিচালক ডাঃ সফিউর রহমানকে আওয়ামী লীগের দোহাই দিয়ে চাপ প্রয়োগ করে সরকারি কোয়ার্টার বরাদ্দ দিতে বাধ্য করা হয়। তিনি ৫ আগস্টের ছাত্র জনতার গণঅভ্যূত্থানের আগ পর্যন্ত শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেন। গণঅভ্যূত্থানে আহত ছাত্রজনতার চিকিৎসা সেবা না দিয়ে তাদেরকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখান। এ সময় অত্র হাসপাতালের তৎকালিন স্বাচিব নেতাদের সঙ্গে তাকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে দেখা যায়। ঐ সময় জরুরী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স ইনচার্জ ও নার্সিং সুপারেনডেন্ট শাহনাজ পারভীন এবং টেকনিশিয়ান সাজেদুল ইসলাম গংরা মিলে সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত দৃশ্য নষ্ট করে দেন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আক্রমনে আহত রোগীরা যখন তাদের জীবন বাঁচাতে জরুরী বিভাগে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে দ্রুত আসেন তখনকার বিভৎস দৃশ্য যাতে সিসি টিভিতে ধরা না পরে সে জন্য সিসি টিভির যন্ত্রাংশ ধ্বংস করে ফেলেন সাজেদুল ইসলাম। এতেও তিনি ক্ষ্যান্ত হননি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্দয় আক্রমনে আহত রোগীদের সেবা প্রদানে বাধাও দেওয়া হয় তার নেতৃত্বে। প্রাথমিক চিকিৎসা না দেওয়ার ক্ষেত্রেও ভয়ভীতি দেখানো হয়। জরুরী বিভাগ থেকে তাদের চিকিৎসা পত্রও দেওয়া হয়নি। এমনকি উক্ত সাজেদুল ইসলামের নেতৃত্বে মারাত্মক আহত, মুমুর্ষ ও শরীরে একাধিক গুলিবিদ্ধ সঙ্কটাপন্ন শতশত রোগীর চিকিৎসা না দেওয়ার বিরুদ্ধে হাসপাতালে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। জুলাই গণঅভ্যূত্থানে আহত ছাত্রজনতার চিকিৎসার বিরুদ্ধে যে সাজেদুল ইসলাম ভয়ানক পরিস্তিতির সৃষ্টি করেন তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো তাকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন হাসপাতালে কর্মরত সচেতন কর্মকর্তা-কর্মচারিগণ। সূত্র জানায়, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বর্তমান পরিচালক ডাঃ মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীন উক্ত টেকনিশিয়ান সাজেদুল ইসলামকে রহস্যজনক কারণে তৃতীয় শ্রেণির ১৬তম গ্রেড থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পদোন্নতি দিয়েছেন। উক্ত পরিচালক ডাঃ মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীন স্বাক্ষরিত গত ১৮/১১/২০২৫ইং তারিখ শঃসোঃমেঃকঃহাঃ/প্রশাসন/২০২৫/৬৩২০ স্বারক মূলে এক অফিস আদেশে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত অত্র হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশিয়ান (বায়োমেডিকেল) সাজেদুল ইসলামকে নিজ দায়িত্বেরও অতিরিক্ত হিসেবে ম্যানেজার মেইনটেনেন্স পদে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। শুধু তাই নয়, ঐ অফিস আদেশে টেকনিশিয়ান সাজেদুল ইসলামের নামে পূর্বের জারিকৃত আদেশ বাতিল করা হয়। এখন তিনি নিজকে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পরিচয় দেন। পরিচালক ডাঃ মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীনও উক্ত টেকনিশিয়ান সাজেদুল ইসলামকে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সর্বত্র পরিচয় করিয়ে দেন। যে কারণে সাজেদুল ইসলাম এখন আরও বেপরোয়া। তার বেপরোয়া আচরণে হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারিগণ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। সাজেদুল ইসলাম ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের রাজনীতি বাদ দিয়ে বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করছেন। বিএনপির অর্জিত সুনাম যাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গোপনে সেই কাজটিই ধুরন্ধর টেকনিশিয়ান সাজেদুল ইসলাম গংরা করে যাচ্ছেন। সিরাজগঞ্জ থেকে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্য যিনি বর্তমান ক্যাবিনেটের দায়িত্বশীল একজন মন্ত্রী তার নাম কথায় কথায় ব্যবহার করছেন সাজেদুল ইসলাম। তিনি নাকি তার চাচা। হাসপাতালের সমস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সঙ্গে তার হিংস্র আচরণও দৃশ্যমান। কথায় কথায় কর্মচারিদের শরীরে হাত দেন এবং তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন।

যন্ত্রাংশ বাণিজ্য
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টেকনিশিয়ান সাজেদুল ইসলাম নিজেকে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে জাহির করছেন। সূত্র জানায়, এখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ার থাকার পরেও কেন একজন অনভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান সাজেদুল ইসলামকে দিয়ে হাসপাতালের শত শত কোটি টাকার মূলবান যন্ত্রপাতি দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলমান এবং ভাল যন্ত্রাংশকে নষ্ট দেখিয়ে মেরামতের নামে ভুয়া বিল ভাউচার প্রস্তুত করে টেকনিশিয়ান সাজেদুল ইসলামের নেতৃত্বে হিসাব শাখা এবং হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীন হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, একটি এমআরআই ও সিটিস্ক্যান মেশিনের দাম কোটি কোটি টাকা। এর একেকটি যন্ত্রাংশের মূল্যও লাখ থেকে কোটি টাকার মতো।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, হাসপাতালের দামী যন্ত্রপাতির মূল্যবান ‘ভালো অংশ’ সাজেদুল ইসলামের নেতৃত্বে খুুলে নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে বিক্রি করা হয় এবং ঐ হাসপাতালের নষ্ট যন্ত্রাংশ নিয়ে এসে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের উক্ত মেশিনে স্থাপন করা হয়। এভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে সরকারি সম্পদ নিয়ে টালবাহানা করে তারা একদিকে যেভাবে আর্থিক লাভবান হচ্ছেন অন্যদিকে রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বছরের পর বছর। যা দেখার যেন কেউ নেই।

এমআরআই/সিটিস্ক্যান
হাসপাতালের এমআরআই ও সিটিস্ক্যান মেশিন বছরের পর বছর নষ্ট করে রাখা হয়। যেখানে সরকারিভাবে এমআরআই/সিটিস্ক্যান পরীক্ষা করতে ২ হাজার টাকার প্রয়োজন সেখানে প্রাইভেট হাসপাতালে ৮/১০ হাজার টাকা গুণতে হয়। একজন অসহাস ও দুঃস্থ রোগীর পক্ষে যা একেবারেই অসম্ভব। কিন্তু জীবন বাঁচাতে তারা বাধ্য হয়ে প্রাইভেট হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিকের শরণাপন্ন হন। চিকিৎসকগণ সেবাপ্রত্যাশীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন এবং সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

স্বাচিব নেতা ডাঃ সেহাব উদ্দীন
স্বৈরশাসক আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে ডাঃ মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীন দাপুটে স্বাচিব নেতা ছিলেন। তিনি উত্তরায় কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্বপালন কালে স্বাচিবের নাম দিয়ে ব্যাপক লুটপাট ও রামরাজত্ব কায়েম করেন। বর্তমান স্বাস্থ্য সচিব মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরীর বাড়ী একই এলাকায় হওয়ায় ডাঃ সেহাব উদ্দিন আরও বেপরোয়া। অভিযোগ রয়েছে, ৫ আগস্ট গণঅভ্যূত্থানের পর ইউনূস সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমকে মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে ডাঃ মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের পদ বাগিয়ে নিতে সক্ষম হন। ব্যাপক আলোচিত ও সমালোচিত শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীনের বিরুদ্ধে নানা অনৈতিক কর্মকান্ড ও লুটপাটের পাহাড়সম অভিযোগের পরও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় তিনিও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। কাউকে আমলে নেন না। অন্যদিকে ডাঃ সেহাব উদ্দীন গণমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলতে নারাজ। সূত্র জানায়, ডাঃ সেহাব উদ্দীন কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতালে থাকাকালীন করোনা বাণিজ্যের কারণে ঐ সময় গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন বহুবার।

রঙ ও পরিচ্ছন্ন বাণিজ্য
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরিচালক সাবেক স্বাচিব নেতা ডাঃ মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীন সরকারী নিয়মকানুন আমলে না নিয়ে হাসপাতালের রঙের কাজ এবং পরিচ্ছন্ন বাণিজ্যে নেমেছেন। যা গণপূর্ত অধিপদপ্তরের এখতিয়ারাধীন। গণপূর্ত অধিদপ্তরকে পাশ কাটিয়ে আর্থিক লাভের আশায় পরিচালক ডাঃ সেহাব উদ্দীন ও উপ-পরিচালক ডাঃ নন্দ দুলাল সাহা উক্ত টেকনিশিয়ান সাজেদুল ইসলামকে দিয়ে পরিচ্ছন্ন হাসপাতালকে অপরিচ্ছন্ন দেখিয়ে সরকারের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

কে এই সাজেদুল
টেকনিশিয়ান সাজেদুল ইসলামের বাড়ী সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রহমতগঞ্জে। তার বাবার নাম গোলাম সরোয়ার। মাতা হাফিজা বেগম। সরকারি চাকরিতে তিনি গত ০৩/০৮/২০২৩। অভিযুক্ত সাজেদুল ইসলাম শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীনের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে এখন সর্বেসর্বা। নিয়মকানুন অনুসরণ না করে সম্পূর্ণ গায়ের জোরে যন্ত্রপাতি মেরামতের জন্য সরকারি ওয়ার্কশপ নিমিউ এন্ড টিসিতে প্রেরণ না করেই ইচ্ছামত দাম বসিয়ে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। সূত্র জানায়, প্রভাবশালী উক্ত টেকনিশিয়ান সাজেদুল ইসলাম মূলত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মচারী। সে হিসেবে সরকারি বাসা বরাদ্দের সুযোগ তার নেই। কিন্তু তৎকালিন আওয়ামী লীগের প্রভাব বিস্তার করে তিনি বাসা বরাদ্দ নিয়েছেন। বাসা নং-১৩, জি-টাইপ, ব্লক-১৬ আগারগাঁও পাকা মার্কেট, শেরে বাংলানগর, ঢাকা। অপর এক সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ মার্চ উক্ত হাসপাতালে কর্মরত ২০ জন কর্মচারি স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে পরিচালকের নিকট। যার ডায়েরী নং ৩১৫২। হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ২৪-২৫ অর্থ বছওে অক্সিজেন প্লান্টের ভ্যাকুয়াম মেশিন মেরামতের জন্য ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা উত্তোলন করে কাজ না করেই সমুদয় অর্থ আত্মসাৎ করেন সাজেদুল ইসলাম। এছাড়া অটোক্লাব মেশিন মেরামতের ১ লাখ ২০ টাকাও আত্মসাৎ করেন তিনি। মেরামতকৃত যন্ত্রপাতি দুই একদিন পরেই পুনরায় নষ্ট হয়ে যায়। অর্থাৎ সুক্ষ্ম কৌশলে সরকারের কোটি কোটি টাকা বছরের পর বছর আত্মসাৎ করা হলেও এ নিয়ে কারও যেন কোন মাথা ব্যথা নেই। এদিকে ২৫-২৬ অর্থ বছরে যন্ত্রপাতি মেরামতের ২৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে দৈনিক পত্রিকায় দরপত্র বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে কোটেশন পদ্ধতির আশ্রয় নিয়ে হিসাব শাখার আরেক দুর্নীতিবাজ কর্মচারি মামুন অর রশীদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় সাজেদুল ইসলাম অর্থ আত্মসাৎ করেন। সূত্র মতে, অনৈতিক উপায়ে লুটকৃত সরকারি অর্থ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপরোক্ত দুর্নীতিবাজ পরিচালক ডাঃ মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীন গংরা ভাগবাটোয়ারা করে হজম করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। যে কারণে ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পান না। যথেষ্ট তথ্য প্রমাণাদি থাকার পরেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বিষয়টি আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিবে এমন প্রত্যাশা দেশবাসীর। পাহাড় সমান অভিযোগের ব্যাপারে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ সেহাব উদ্দীনের প্রতিক্রিয়া জানতে বেশ কয়েকবার তার মোবাইলে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি। অভিযুক্ত সাজেদুল ইসলামের মোবাইলে বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে নিজকে একজন জুলাই যোদ্ধা দাবী করেন।