ঢাকাThursday , 9 April 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সংসদের সাউন্ড সিস্টেম মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে অর্থ লুটপাট, তদন্তে দুদক

Link Copied!

জাতীয় সংসদ ভবনের প্ল্যানারি হলে স্থাপিত সাউন্ড সিস্টেম পরিচালনা, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের নামে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুদকের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেডের সিইও জাহিদুর রহিম জোয়ারদারসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তিনি সাবেক চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীর (লিটন চৌধুরী) ক্যাশিয়ার এবং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের ভায়রা।

দুদকের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক প্রবীর কুমার দাসকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরই মধ্যে অভিযোগ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে রেকর্ডপত্র চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করার পর অনুসন্ধান কর্মকর্তার সুপারিশের আলোকে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুদকের অভিযোগে বলা হয়, জাহিদুর রহিম জোয়ারদার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের প্ল্যানারি হলে স্থাপিত এসআইএস সিস্টেমের পরিচালনা, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ নিয়ন্ত্রণ করেন। অভিযোগ রয়েছে, এই কাজের আড়ালে ওভার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য খাতে মেডিকেল যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ক্ষেত্রেও একই কৌশলে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অভিযোগে আরও জানানো হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সংসদ ভবনের প্ল্যানারি হলে স্থাপিত সাউন্ড সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা মেরামতের উদ্যোগ নেয় গণপূর্ত অধিদপ্তর। এ সময় জাহিদুর রহিমের প্রতিষ্ঠান সিস্টেমটি পরীক্ষা করে মেরামতের সক্ষমতার কথা জানিয়ে প্রাক্কলন জমা দেয়। এছাড়া সিস্টেম পরীক্ষার জন্য প্রকৌশলীদের যাতায়াত, থাকা-খাওয়া ও সম্মানী বাবদ প্রায় ১১ লাখ ২৫ হাজার টাকাও দাবি করা হয়েছিল। ওই সিস্টেম মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রায় ৪ কোটি টাকার প্রাক্কলন তৈরি করার অভিযোগ রয়েছে।