বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সদ্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ ও শরণরখোলা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সোমনাথদের নির্বাচনী জনসভায় দাম্ভিকতাপূর্ণ আচরণ ও শিষ্টাচার বহির্ভূত বক্তব্যের কারণেই নির্বাচনে ফল বিপর্যায়ের কারণ বলে উল্লেখ করেছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। দলের অঙ্গসংগঠনের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, দলীয় বড় বড় নেতাদের ল্যাং মেরে স্থান দখল করে নমিনেশন নিয়েছেন। এ জাতীয় বক্তব্য দলের তৃণমূল কর্মীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ সৃষ্টি করেছে। তারপরেও এবারের নির্বাচনে প্রায় লক্ষাধিক ভোট পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। স্বাধীনতার পরবর্তী বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে এত ভোট কখনো পায়নি। এর একমাত্র কারণ কর্মীদের ভোটের মাঠে পরিশ্রমের ফল। মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় উপজেলা যুবদলের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মেহেদী হাসান ইয়াদ অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দে এক সাক্ষাতকারে কেন্দ্রীয় বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. ওবায়দুল ইসলামকে জড়িয়ে মিথ্যাচার বক্তব্য প্রদান করেছেন। তিনি বলেছেন, ওবায়দুল ইসলামের অনুসারীরা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয়নি। যা আদৌ সত্য নয়। একজন প্রার্থীর মুখ থেকে এ ধরনের অসত্য বক্তব্যর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মীরা। একইসাথে প্রধানমন্ত্রী দলের চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের নিকট গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে মোরেলগঞ্জ-শরণখোলার সনাতন সম্প্রদয়ের নির্দিষ্ট ভোটার সংখ্যা ও দলের মধ্যে থেকে যারা দলের বিপক্ষে কাজ করেছে এ রকম যদি কেউ থেকে থাকেন, তদন্তপূর্বক তাদের বিরুদ্ধে দলীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুল আউয়াল, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন, শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন মিলন, মোরেলগঞ্জ পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আল আজাদ, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব এবিএম রেজাউল করিম সোহাগ, পৌর যুবদলের সভাপতি মিজানুর রহমান পলাশ, সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম মিঠু, উপজেরা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান রুবেল, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. আবু সালেহ, সাবেক পৌর আহ্বায়ক মেহেদী হাসান সজলসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

