ঢাকাSaturday , 7 March 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যৌথবাহিনীর অভিযানেও থেমে নেই সুন্দরবনের জেলে অপহরণ

Link Copied!

যৌথবাহিনীর অভিযানের মধ্যেও থেমে নেই সুন্দরবনের জেলে অপহরণ। গত শুক্রবার রাতে (৬মার্চ) বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন গ্রামের ৩ জেলেকে বনের সৌলা থেকে অপহরণ করেছে বনদস্যু শরীফ বাহিনী। অপহৃত মোঃ রায়হান ও সুমন উপজেলার খুড়িয়াখালী ও সগীর বয়াতী চালিতাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। এদের একেক জনের কাছে ৮০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করেছে দস্যুরা। অপরদিকে অপহরণের প্রায় তিন সপ্তাহ পর মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন ১৪ জেলে । প্রত্যেক জেলের মুক্তিপণ হিসেবে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে দস্যুদের। বৃহস্পতিবার (৫মার্চ) সকালে তাঁরা দুবলার চরে ফিরেছে আসেন। ফিরে আসা ১৪ জেলে নারকেলবাড়িয়া ও শেলার চরের শুঁটকি ব্যবসাীয় মিজান মালি, শাহিনুর মালি, হাবিব ও রবির মহাজনের জেলে। এখনো আলোরকোলের রফিকুল ও খালেক মহাজনের ১২ জেলে জিম্মি রয়েছেন বলে জানাগেছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাতে দুর্ধর্ষ বনদস্যু করিম শরীফ বাহিন পূর্ব সুন্দরবনের শেলার চর শুঁটকি পল্লীতে হানা দিয়ে একটি ট্রলারসহ ৬ জেলেকে এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় ২০টি ট্রলার থেকে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছিল বনদস্যু জাহাঙ্গীর ও সুমন বাহিনী। শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্র দুবলার চরের বিশেষ টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ফরেস্ট রেঞ্জার) মিল্টন রায় জানান, দুবলার জেলে পল্লীগুলোতে দস্যু আতংক বিরাজ করছে। চাহিদা অনুযায়ী চঁাদা না পাওয়ায় সংঘবদ্ধ দস্যুরা যে কোনো সময় শুঁটকি পল্লীতে হানা দিয়ে ব্যাপক সংখ্যক জেলে অপহরণ করে নিয়ে যেতে পারে। শরণখোলার জেলেরা জানান, সুন্দরবনে দস্যু নির্মূলে কোস্টগার্ডে নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী অভিযান শুরু হলেও পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ এলাকায় এর কোনো প্রভাব পড়েনি। যে কারণে শরণখোলা রেঞ্জের বনাঞ্চল এখন দস্যুদের অভযারণ্যে পরিণত হয়েছে। তারা জেলে অপহরণসহ মহাজনদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। তাই দ্রুত শরণখোলা রেঞ্জে অভিযান পরিচালনার দাবি জানান জেলেরা।