ঢাকাSunday , 22 February 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রায় এক সপ্তাহ পার হলেও মুক্তি মেলেনি অপহৃত ২০ জেলের

Link Copied!

প্রায় এক সপ্তাহ পার হলেও মুক্তি মেলেনি বঙ্গোপসাগর থেকে দস্যু বাহিনীর হাতে অপহৃত ২০ জেলের। তাদের মুক্তিপণ হিসেবে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মহাজনদের কাছে সাড়ে তিন লাখ টাকা করে ৭০ লাখ টাকা দাবি করেছে দস্যুরা। তবে মুক্তিপণ কমবেশি নিয়ে জেলেদের মহাজন ও দস্যুদের মধ্যে দর কষাকষি চলছে বলে জানিয়েছে বনবিভাগ। এদিকে দস্যু আতঙ্কে প্রায় চারদিন মাছ ধরা বন্ধ থাকার পর শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে কিছু কিছু ট্রলার ঝুঁকি নিয়ে সাগরে যাওয়া শুরু করেছে। জেলেদের চরের কাছাকাছি দূরত্বে থেকে মৎস্য আহরণ এবং সাগর থেকে দিনে দিনে ফিরে আসার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বনবিভাগ থেকে। গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় ২০ টি ট্রলার থেকে দুবলার শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রের আওতাধীন আলোরকোল ও নারকেলবাড়িয়া শুঁটকি পল্লীর ওই ২০ জেলেকে অপহরণ করে দুর্ধর্ষ বন ও জলদস্যু জাহাঙ্গীর ও সুমন বাহিনী। এ ঘটনার পর অপহরণ আতঙ্ক আর নিরাপত্তার অভাবে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের নিয়মিত জেলেসহ শুঁটকি উৎপাদনে নিয়োজিত জেলেরা সাগর ও বনে মাছ ধরা বন্ধ করে দেয়। এতে দেশের বৃহত্তম এই শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রে ভয়াবহ মাছ সংকট দেখা দিয়েছে। অপরদিকে, মাছ ধরতে না পারায় লাখ লাখ টাকা লোকসানে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি আর্থিক সংকট দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার দরিদ্র জেলে। পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রের বিশেষ টহল ফঁাড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ফরেস্ট রেঞ্জার) মিল্টন রায় অপহৃত জেলেদের মহাজনদের বরাত দিয়ে বলেন, ২০ ট্রলার থেকে ২০ জেলেকে তুলে নেওয়ার পর শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে দস্যুদের দেওয়া মোবাইল নম্বরে কথা বলেছেন মহাজনরা। ট্রলার প্রতি তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছে তারা। দস্যুদের সঙ্গে কথা বলে চাঁদার পরিমান কমানোর চেষ্টা করছেন মহাজনরা। দস্যুরা চাঁদা পরিশোধের নির্ধারিত সময়সীমা বেধে দেয়নি। তবে দ্রুত পরিশোধ না করলে জিম্মি জেলেদের জীবনে ভয়াবহ পরিনতি এবং পরবর্তীতে সাগরে মাছ ধরতে হলে আগাম চঁাদা দিয়ে নামতে হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে মহাজনদের। চার দিন পরে শনিবার সকাল থেকে ঝুঁকি নিয়ে সাগরে নেমেছেন কিছু কিছু জেলে। তাদেরকে নিরাপদ দূরত্বে অস্থান নিয়ে মাছ ধরা এবং দিনে দিনে ঘাটে ফিরে আসার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।